1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

৩ বছর সাত মাস পর শপথ নিলেন ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দীর্ঘ তিন বছর সাত মাস পর আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।

সোমবার (৭ জুলাই) তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা নাসরিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন।

বাচ্চু মিয়া নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বলিখোলা গ্রামের বাসিন্দা। এই ওয়ার্ডে ২০২১ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি অংশ নেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মো. তৈয়ব হোসেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন তৈয়ব হোসেন। তবে নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী কোনো ফেরারি আসামি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না—এই নিয়ম লঙ্ঘন করেই ওই সময় নির্বাচন করেন তৈয়ব। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের সময় তিনি একজন ফেরারি আসামি ছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও রহস্যজনকভাবে তৈয়ব হোসেনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং তাকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন শেষে মাত্র এক মাসের মাথায় বাচ্চু মিয়া আদালতের দ্বারস্থ হন।

দীর্ঘ সময়ের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত বাচ্চু মিয়ার পক্ষে রায় দেন। সেই রায়ের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন তার শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

শপথগ্রহণ শেষে মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, আমি ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী ছিলাম। আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে শপথ নিতে পেরে আমি আনন্দিত।

নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা নাসরিন বলেন, আদালতের রায়ের আলোকে মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়াকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়েছে। প্রশাসন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বালিখোলা গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, বাচ্চু মিয়া এর আগেও দুইবার মেম্বার ছিলেন। এবার নিয়ে তিনবার। গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবাসে, তিনি যোগ্য প্রতিনিধি। আদালতের রায়ে আমরা খুশি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি