1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র : কার জোর কতটুকু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

ভারতের গুজরাট, রাজস্থান, পাঞ্জাব এমনকি রাজধানী নয়াদিল্লি পর্যন্ত পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের বড় শহর করাচি লাহোর মুলতান সবই আছে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যে। ভারত পাকিস্তানের বর্তমান উত্তেজনা যদি কোনোভাবে পুরোদমে যুদ্ধে রূপ নেয় আর দু’দেশ তাদের ভান্ডারে থাকা হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করতে থাকে তাহলে ঐতিহাসিক এসব শহরের পরিণতি কী হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

ভারত ও পাকিস্তানের অস্ত্রভান্ডারে এই মুহূর্তে কী কী ক্ষেপণাস্ত্র আছে এবং এসব অস্ত্রের শক্তি কতটুকু, এ নিয়ে চলছে আলোচনা। পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ক্ৰুজ, ট্যাকটিক্যাল ও স্বল্প-মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ট্যাকটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্র যেমন হাতাফ-১ ও নাসের ৬০-১০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে আবদালি যার পাল্লা ২০০ কিলোমিটার, গজনবি (৩০০ কিলোমিটার), রা’দ (৩৫০ কিলোমিটার), বাবর (৭০০ কিলোমিটার) ও শাহীন-১ ৭৫০ থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরবর্তী স্থানে আঘাত হানতে পারে।

মধ্যমপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে গৌরি-১ যার পাল্লা এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত, গৌরি-২ এর পাল্লা আরও বেশি-দুই হাজার কিলোমিটার, আবাবিল (দুই হাজার ২০০ কিলোমিটার), শাহীন-২ ও শাহীন-৩ (দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৭৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। এর মধ্যে আবাবিল ও শাহীন-৩ একসঙ্গে কয়েকটি ওয়ারহেড বা বিস্ফোরক বহন করতে পারে এবং অনায়াসে শত্রুর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় ভারত এই মুহূর্তে অনেকটাই এগিয়ে আছে। নিজেদের প্রযুক্তির পাশাপাশি যৌথভাবেও ভারত তৈরি করছে স্বল্প, মধ্যম ও দূরপাল্লার বেশকিছু ক্ষেপণাস্ত্র।

এর মধ্যে ভারতের রয়েছে পৃথ্বী সিরিজ। যার রেঞ্জ ২৫০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার, অগ্নি সিরিজ এক হাজার ২০০ থেকে আট হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। এ ছাড়া ভারতের ভান্ডারে আছে নির্ভয়া ও ব্রহ্মোস ক্ৰুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর মধ্যে অগ্নি-৫ একটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যা সাত থেকে আট হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিতে সক্ষম। পাকিস্তান তো বটেই আরও দূরবর্তী যে কোনো শহর পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে এটি।

ভারতের ধনুষ হলো নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতের সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য কে-১৫ বা বি-০৫ সাগরিকা ও শৌর্য ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ প্রায় ৭০০ কিলোমিটার।

ভারতের সুপারসনিক ক্ৰুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মোস পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। ২০২৪ সালে ভারত সফলভাবে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়, যার পাল্লা দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি এবং এটি আকাশ, স্থল ও জলপথ সব জায়গা থেকে আঘাত হানতে সক্ষম।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত শব্দের গতির পাঁচগুণ দ্রুত চলে। আর সুপারসনিক গতি সাধারণত শব্দের গতির চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়। কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থামাতে সক্ষম নয়।

এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ভারত-পাকিস্তান যদি কোনোভাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পরে তা দুটি দেশের জন্য তো অবশ্যই তেমনি দক্ষিণ এশিয়াতে এক ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি