1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘নথি’ বলছে গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ, মন্ত্রীর দাবি ‘সিদ্ধান্ত হয়নি’ ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর ৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ কারামুক্ত আ.লীগ নেতাকর্মীদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আটক ৪ বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ : ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

আজ সোহাগপুর গণহত্যা দিবস

মোঃ নাইমুর রহমান, শেরপুর
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩

আজ ২৫ জুলাই। ঐতিহাসিক সোহাগপুর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে নৃশংস গণহত্যাকা- সংঘটিত হয়েছিল নালিতাবাড়ী উপজেলার কাঁকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামে। এদিন গ্রামের পুরুষরা কেউ কেউ ফসলের মাঠে হাল বইতে গিয়েছিলেন, কেউ বা বসেছিলেন নিজ বাড়িতেই। পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদর বাহিনী ভারত সীমান্তঘেঁষা এ গ্রাম ঘিরে ফেলে। পরে শুরু করে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। এতে ১৮৭ জন পুরুষকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে তারা। সেদিন রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিল সোহাগপুর গ্রামে। রক্তলাল হয়েছিল সোহাগ পুরের ফসলের মাঠ।

স্ত্রীর চোখের সামনে স্বামীকে, সন্তানের চোখের সামনে বাবাকে ও ফসলের মাঠে গিয়ে গুলি করে মানুষ হত্যা করে পাকহানাদাররা। সারা গ্রাম পুরুষশূন্য হওয়ায় লাশ দাফনে বিপদে পড়েন তারা। দাফনের কাপড় না পেয়ে অনেক কষ্ট করে পরনের ছেঁড়া কাপড় ও মশারি দিয়ে পেঁচিয়ে এক কবরে একাধিক লাশ দাফন করেন তারা। জীবন ও সম্ভ্রম বাঁচাতে কেউবা আবার লাশ ফেলে চলে যান অন্যত্র। সব পুরুষকে হত্যা করায় এই গ্রামের নামকরণ করা হয় ‘সোহাগপুর বিধবাপল্লী।’ এই পল্লীতে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ৫৬ জন বিধবা বেঁচে ছিলেন। বর্তমানে ২৩ জন বিধবা বেঁচে আছেন। এর মধ্যে ১৪ জন বিধবাকে বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ থেকে ৩ জন বীরাঙ্গনা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। এখন জীবিত আছেন বীরাঙ্গনা ১১ জনসহ ২৩ বিধবা নারী। বাকি বিধবারা বীরাঙ্গনার স্বীকৃতির প্রাপ্তির দাবি জানান।

বীরাঙ্গনারা বলেন, স্বাধীনতার পরে কেউ আমাদের খোঁজখবর নেয়নি। আমাদের এমপি বেগম মতিয়া চৌধুরীর প্রচেষ্টায় আমরা এখন বীরাঙ্গনা ভাতা ২০ হাজার, ট্রাস্ট ব্যাংকের দেওয়া ২ হাজার ও বিধবা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাচ্ছি। সরকারিভাবে দেওয়া পাকাবাড়ি, রাস্তাঘাট আমরা পেয়েছি। এ জন্য আমরা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খ্রিস্টফার হিমেল রিছিল বলেন, দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ‘সৌর জায়া’ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, বীরাঙ্গনাদের সংবর্ধনা প্রদান, নগদ অর্থ বিতরণ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি