1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘নথি’ বলছে গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ, মন্ত্রীর দাবি ‘সিদ্ধান্ত হয়নি’ ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর ৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ কারামুক্ত আ.লীগ নেতাকর্মীদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আটক ৪ বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ : ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

বঙ্গবন্ধু টানেলের টোল ২০০ থেকে হাজার টাকা চূড়ান্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩

কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার সঙ্গে আনোয়ারকে যুক্ত করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের টোল হার চূড়ান্ত করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার রাতে সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চূড়ান্ত হওয়া টোল হার জানা যায়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মোট ১২ ধরনের যানবাহনের টোল দিতে হবে টানেলে। এর মধ্যে কার ও জিপে ২০০ টাকা, পিকআপ ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস ২৫০ টাকা, বাস ৩১ আসনের কম ৩০০ টাকা, বাস ৩২ আসনের বেশি ৪০০ টাকা, বাস ৩ এক্সেল ৫০০ টাকা।

এ ছাড়া ট্রাক পাঁচ টন পর্যন্ত ৪০০ টাকা, ট্রাক পাঁচ থেকে আট টন পর্যন্ত ৫০০ টাকা, ট্রাক আট টন থেকে ১১ টন ৬০০ টাকা, ট্রাক/ট্রেইলের ৩ এক্সেল ৮০০ টাকা, ট্রাক/ট্রেইলের ৪ এক্সেল ১০০০ টাকা, ট্রাক/ট্রেইলের ৪ এক্সেলের অধিক ১০০০+ প্রতি এক্সেলের জন্য ২০০ টাকা।

সেতু বিভাগের সূত্র জানায়, মূলত চট্টগ্রামে অবস্থিত শাহ আমানত সেতুর টোলের অঙ্ককে ভিত্তি ধরে টানেলের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। শাহ আমানত সেতুর দৈর্ঘ্য ৯৫০ মিটার, প্রস্থ ২৪.৪০ মিটার। এতে চার লেনের সড়কপথ রয়েছে।

সঙ্গে রয়েছে ১২০ মিটার সংযোগ সড়ক। সংযোগ সড়কও সেতুর সড়কের মতো প্রশস্ত। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে এতে যান চলাচল শুরু হয়। সেতুর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৫৯০ কোটি টাকা।

এদিকে টিউবসহ কর্ণফুলী টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। টিউবের দৈর্ঘ্য ২.৪৫ কিলোমিটার। টানেলের সঙ্গে পতেঙ্গা প্রান্তে ০.৫৫ কিলোমিটার, আনোয়ারা প্রান্তে ৪.৮ কিলোমিটারসহ মোট ৫.৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক রয়েছে। আনোয়ারা প্রান্তে সংযোগ সড়কের সঙ্গে ৭২৭ মিটার উড়ালসেতু রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্পে ৯.৩৯ কিলোমিটার নতুন পথ তৈরি করা হচ্ছে।

নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দেশের প্রথম টানেল।

আগামী সেপ্টেম্বরে যান চলাচলের জন্য টানেলটি চালু হলে কী পরিমাণ যান চলাচল করবে, এ নিয়ে ২০১৩ সালে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, টানেল চালুর বছরে ৬৩ লাখ গাড়ি চলাচল করতে পারে। সে হিসাবে দিনে চলতে পারে ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি। ২০২৫ সাল নাগাদ টানেল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২৮ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলবে। এর মধ্যে অর্ধেক থাকবে পণ্যবাহী যান। ২০৩০ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ হাজার ৯৪৬টি এবং ২০৬৭ সালে এক লাখ ৬২ হাজার যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি