1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সুস্থতার পথে মির্জা আব্বাস, শিগগিরই দেশে ফেরার আশা জলাবদ্ধতায় হাঁটু পানি, বেঞ্চে পা তুলে এসএসসি পরীক্ষা কুমিল্লায় শাহজালালে নিরাপত্তা ভেঙে রানওয়ের কাছে যুবক, আটক চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত ট্রেনের দুই বগিতে আগুন, দেড় ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণ রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশের পদার্পণ এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা, তরুণের এক বছরের কারাদণ্ড দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই, ‘শব্দটি আগে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হতো’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশজুড়ে কালবৈশাখীর আশঙ্কা, ৮ বিভাগে সতর্কতা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, সাগরে নৌযান চলাচলে সতর্কতা প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

ময়মনসিংহে মালেক হত‍্যার ৩৪ বছর পর ৪ জনের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২

ময়মনসিংহে ত্রিশালের মালেক হত‍্যা মামলার ৩৪ বছর পর চার আসামির যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের স্বশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সোমবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সাবরিনা আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ত্রিশাল উপজেলার দরিল্লা গ্রামের আলতাব আলী, মফিজ উদ্দিন, কিসমত আলী ও জিন্নাত আলী। এছাড়া মামলার ৮ আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আহাম্মদ আলী ও সুজরু আলী নামে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক। এরই মধ্যে এই দীর্ঘ সময়ে অপর দুইজন আসামির মৃত্যু হয়েছে।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ‍্যাডভোকেট সঞ্জিব সরকার এই তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১৯৮৮ সালের ২১শে আগস্ট ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরামপুরে স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এলাকার মাতব্বর আব্দুল মালেককে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা করলে তদন্ত কর্মকর্তা, ৮ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়। মামলার স্বাক্ষীদের রিকলের বিষয়ে ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে আপীল করেন আসামিপক্ষ। এরপর থমকে যায় বিচার কাজ।

সেই রিভিশন শুনানি শেষ হতে কেটে যায় ১৮টি বছর। ২০১২ সালে রিভিশন নিস্পত্তি হলেও, সেই অর্ডার কপি ময়মনসিংহ আদালতে রিসিভ করা হয় ২০১৫ সালে। এই দীর্ঘ সময়ে মারা গেছেন সোবহান ও সিদ্দিক নামে মামলার দুই আসামিও।

দীর্ঘদিন পর রায় হলেও, ন্যায় বিচার নিশ্চিত হওয়ায় তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদী পক্ষ। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল মালেকের ভাতিজা রিয়েল আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন পর রায় হলেও আমরা সন্তুষ্ট। আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। আসামিরা উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি