1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার আওয়ামী লীগের সময়ের সার ডিলার বাতিল ঢাকায়ও লোডশেডিং করা হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

খালের ওপর সেতুটি ৩৬ বছরেও কাজে আসেনি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২

খালের ওপর দাঁড়িয়ে আছে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু। কোন প্রতিষ্ঠান কবে সেতুটি নির্মাণ করেছে, এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরকারি দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি। তবে এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা বলেন, সেতুর ‘বয়স’ অন্তত ৩৬ বছর তো হয়েছেই। তবে এত দিন পেরিয়ে গেলেও সেতুটি এক দিনের জন্যও স্থানীয় মানুষের কাজে আসেনি। কারণ, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের মালপাড়া খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে সেতুটি। এ সেতুর কারণে বর্ষাকালে ১০ গ্রামের মানুষকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে শুকনা মৌসুমে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করা যায়।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, মালপাড়া খালের ওপর নির্মিত সেতুর দুই পাশে কোনো সংযোগ রাস্তা নেই। শুকনা মৌসুম হওয়ায় খালে পানি না থাকায় লোকজন নিচ দিয়ে চলাচল করছে।

গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খালে পানি থাকলে স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়ে। কয়েক কিলোমিটার ঘুরে তাদের যাতায়াত করতে হয়। নাপিতেরচর, মরাবন, মালপাড়া, ডাকপাড়া, আদর্শগ্রাম, চন্দনপুর, ফুলারচরসহ ১০ গ্রামের মানুষ বর্ষাকালে এ খাল পার হয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন।

নাপিতেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সুমন মিয়া বলেন, শুকনা মৌসুমে ভালোভাবে স্কুলে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে এক কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করা হলে সাইকেল নিয়ে চলাচল করা যাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ মাহমুদ বলেন, ১৯৮৫ সালের দিকে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় তাঁদের ভোগান্তি কমেনি।

ইসলামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদি হাসান বলেন, ওই সেতু সম্ভবত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মাণ করেছিল। সেতুটি বেশ উঁচু। বর্ষা মৌসুমে দুই পাশে মাটি থাকবে না মনে হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আমিনুল হক মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। ফলে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো কথা বলেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি