1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

বাংলা ভাষার আধুনিককালের অন্যতম নাট্যকার সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নানা আয়োজন করা হয়েছে।

সেখানে শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, স্মারক বক্তৃতা এবং মঞ্চনাটক প্রদর্শনীর জমকালো উদ্যোগ নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় নাট্য সংগঠনগুলো।
এ ছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি সাজিয়েছে ‘সেলিম আল দীন সংগ্রহশালা’। গতকাল বিকেল ৫টায় স্টুডিও থিয়েটার হলে ‘আলাপে সেলিম আল দীন ও নাটকের রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনায় একক বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষাবিদ আজফার হোসেন। একই হলে সন্ধ্যা ৭টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয়েছে সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক ‘ধাবমান’।

সকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে নাট্যাচার্যের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, ‘ঢাকা থিয়েটার’ ও ‘বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার’ যৌথভাবে আয়োজন করছে তিন দিনের বিশেষ নাট্যোৎসব। আজ সকালে সেলিম আল দীনের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হবে নাসির উদ্দীন ইউসুফের নির্দেশনায় সেলিম আল দীনের লেখা নাটক ‘নিমজ্জন’।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৯ আগস্ট মঞ্চস্থ হবে কাজী নজরুল ইসলামের গল্প অবলম্বনে আনন জামানের রচনা ও নির্দেশনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের নাটক ‘জহরনামা’। সমাপনী দিন ২০ আগস্ট বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাট্য সংগঠন ‘সুন্দরম’ পরিবেশন করবে এ এইচ রাজন ও রফিকুল ইসলামের যৌথ রচনা এবং নাসির উদ্দীন ইউসুফের নির্দেশনায় ‘একসাথে চলি একসাথে বাঁচি’।

সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের এ দিনে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস। মা ফিরোজা খাতুন।

১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন সেলিম আল দীন। ১৯৮৬ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে ‘মধ্যযুগের বাংলা নাট্য’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি গবেষক, সংগঠক, নাট্যনির্দেশক ও শিল্পতাত্ত্বিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অন্যদের সঙ্গে তিনি ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার গড়ে তোলেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘প্রাচ্য’, ‘কিত্তনখোলা’, ‘হাতহদাই’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘চাকা’, ‘হরগজ’, ‘একটি মারমা রূপকথা’, ‘বনপাংশুল’, ‘নিমজ্জন’ ও ‘ধাবমান’।

সাহিত্য ও নাট্যচর্চায় অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, নান্দীকার পুরস্কার, খালেকদাদ সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ও অলক্ত সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি মারা যান সেলিম আল দীন। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাকে সমাহিত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি