1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুই ট্রাকে সিগারেট কারখানার সরঞ্জাম, জব্দ ১,২৭৫ কেজি তামাক সচিবালয় স্টেশনে ঝুলন্ত তার, ২০ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রোরেল ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিলেটে কিশোরীর কোমরে শিকল, নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান ১০ বছরের দণ্ড পাওয়া ‘১০৪ বছরের’ আসামির আত্মসমর্পণ বাঁধনের ওপর হামলা চরম অমার্জনীয় ও ন্যক্কারজনক: ডেপুটি স্পিকার বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ইতালিতে দূতাবাস কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে উচ্চবাচ্য, এজলাস ছাড়লেন পুরো আপিল বিভাগ

ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তাঁর ধারণা, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরুর সময়টিতে ডেঙ্গু সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশজুড়ে গতকাল থেকেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন মাসের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে যুক্ত করা হবে।

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা তৈরি এবং লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ডা. এম এ মুহিত জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রধান লক্ষ্য আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু রোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এই প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার সম্ভাব্য সময়কে সামনে রেখে হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে রোগীর হারের বিবেচনায় ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে।

রোগীর চাপ আরও বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালের অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে বলেও জানান তিনি।

পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও সম্ভাব্য পিক সময়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। প্রয়োজনে এসব হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে হবে। একই সঙ্গে অযৌক্তিকভাবে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ানো থেকে বিরত থাকা এবং ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারি প্রস্তুতির পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততাকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি