ক্ষমতার স্বার্থে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ভবিষ্যতে একতাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রায় ১ লাখ লিটার তেল খরচ করে জামায়াতে ইসলামী লংমার্চের কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পাঠকদের জন্য রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রায় ১ লাখ লিটার তেল খরচ করে লংমার্চ করবে জামায়াত! মাত্র ৬ মাস অতিক্রম করে ৭ মাসে পড়েছে সরকারের বয়স! এরমধ্যেই ক্ষমতার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্র বিরোধী (এনসিপির ভাষায়) এই দলটি। তারা কখনো ক্ষমতায় যেতে না পারলেও রাষ্ট্রে অস্থিরতা ও অশান্তি সৃষ্টি করতে পারবে।
কর্মসূচি ডাকবে জামায়াত, আর তার মধ্যে ঢুকে পড়বে আওয়ামী লীগ। যদিও জামায়াত এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় যে, আলোচনার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ-জামায়াত একতাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামবে। আর আওয়ামী লীগের নামার পথ তৈরি করে দিতেই এই লং মার্চের ঘোষণা।
ধারণা করা হচ্ছে, জামায়াতের লং মার্চে আওয়ামীলীগ ঢুকলে তাদের কোন আপত্তি নাই। অর্থাৎ ৭১ এর গণহত্যাকারী দল ও ২৪ এর গণহত্যাকারী দল ক্ষমতার স্বার্থে একতাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে!
তাদের কাছে জ্বালানি সংকটের মত জাতীয় সংকট মুখ্য বিষয় নয়, তারা বোঝে শুধু ক্ষমতা! আর এজন্য জাতীয় সংকটকে পূঁজি করে জামায়াত এক লাখ লিটার তেল খরচ করতে যাচ্ছে লং মার্চে! ক্ষমতা না জনতা!