1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩ আয়াসের জামিন শুনানিতে বিচারকের সামনেই দুই পক্ষের আইনজীবীদের হাতাহাতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের’ মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ‘শিকার’ হিসেবে পাঠানো হয় বাংলাদেশিদের, প্রথম দিনেই ড্রোন হামলায় নিহত ১৭ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট নওগাঁয় ১২০ বস্তা সার পাচারের চেষ্টা, জব্দ করল প্রশাসন চীনের সঙ্গে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আয়াসের জামিন শুনানিতে বিচারকের সামনেই দুই পক্ষের আইনজীবীদের হাতাহাতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার আল-নূর মোহাম্মদ আয়াস ও মারজিয়া খন্দকারের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালতকক্ষেই হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক সাময়িকভাবে এজলাস ছেড়ে যান। পরে শুনানি শেষে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

গত ১০ অক্টোবর শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে চুনকালি দেওয়ার সময় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল-নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ছড়ানো ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।

মামলায় পরদিন আয়াসসহ দুজনের তিন দিন এবং অন্য দুজনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

রিমান্ড শেষে বুধবার আয়াস ও মারজিয়া খন্দকারকে (রিমি) আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল। তিনি তদন্তের স্বার্থে তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় পলাতক অন্য আসামিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আসামিদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মনির হোসেন। তিনি মামলার অভিযোগ ও ধারাগুলোর যথার্থতা নিয়ে আপত্তি জানান। একই সঙ্গে আয়াসের অসুস্থতা এবং মারজিয়ার সন্তান থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, তাঁদের বক্তব্য মূলত ভারতীয় আগ্রাসনের বিরোধিতা নিয়ে। দেয়ালে ভারতীয় শিল্পীদের ছবি থাকায় তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দেশের শিল্পীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়কে উসকানি দেওয়া এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে আদালতে উপস্থিত আসামিপক্ষের আইনজীবীদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী। তিনি তাঁদের জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে উল্লেখ করলে আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী উচ্চ স্বরে প্রতিবাদ জানান।

এ নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিচারকের সামনেই তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মহসিন তৌহিদের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায়। তিনি মারধরের শিকার হন।

পরিস্থিতি দেখে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন উপস্থিত আইনজীবীদের শান্ত করেন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে বিচারক পুনরায় এজলাসে ফিরে আসেন। এরপর আল-নূর মোহাম্মদ আয়াস ও মারজিয়া খন্দকারকে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি