দলীয় প্রতীক হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টকে (এনসিপি) এখনো ‘শাপলা’ বরাদ্দ দেয়নি নির্বাচন কমিশন। পছন্দের প্রতীক পেতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চলছে এনসিপির টানাপোড়েন। এরই মধ্যে শাপলা প্রতীক সম্বলিত পোস্টার সাঁটিয়ে নতুন
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার (০৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে রওনা হন তিনি। এরপর জিয়ার মাজারে পৌঁছে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, কিছু উপদেষ্টার মধ্যে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা কোনোভাবে দায়সারা দায়িত্ব পালন করে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এক্সিট নিতে পারলেই হলো। এই দায়সারা
দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবারও চিঠি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ইমেইলের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠানো হয়। কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো চিঠিতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত দৃঢ় থাকবে, উনাদের কাজে যত বেশি দৃঢ় থাকবেন, ততই সন্দেহ আস্তে আস্তে চলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা’ পেতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসির সাম্প্রতিক প্রকাশিত গেজেটে ‘শাপলা’ প্রতীক না থাকলেও দলটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে
আগামী নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে তখন জনগণের মাঝেই থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এ কথা বলেন। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর
ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন দিতে না পারলে প্রধান উপদেষ্টা চলে যাবেন এবং অনেক উপদেষ্টা বিদেশে তাদের আরাম আয়েশের জীবনে ফিরে যাবেন। দেশ অনিশ্চয়তার পড়বে। সেই সঙ্গে আ. লীগও সক্রিয় হচ্ছে রাজপথে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছেন। তারা নিজেদের সেফ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করতে হবে। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে ইতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার সুযোগ