1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ফিরোজার পরিবারকে গাভি দিল উপজেলা প্রশাসন সন্তানের মুখ দেখার কয়েক দিন পরই ট্যাংক দুর্ঘটনায় নিহত সৈনিক পিয়াস প্রধানমন্ত্রীসহ সবাইকে নিয়মিত নামাজের আহ্বান জামায়াত এমপির ঢাকা মেডিকেলে লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু কিশোরগঞ্জে অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার সংসদ সদস্যের বক্তব্য থামিয়ে দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থী: বিরোধীদলীয় নেতা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান আইন-বিধি মেনেই: দুদক সচিব জুলাইয়ের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে: রাষ্ট্রপতি ভোলায় হবে সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

জুলাইয়ের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে: রাষ্ট্রপতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে গণতন্ত্র ফিরে এলেও এর জন্য জাতিকে অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র দেখার সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম সঙ্গে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর এমন মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই প্রত্যাশাও জানান তিনি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকে সবার দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মতো প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

পরিদর্শনের শুরুতে দর্শনার্থীর টিকিট নিয়ে জাদুঘরে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রপতি। পরে ‘লংওয়াক-টু-ডেমোক্রেসি’ বা দীর্ঘ গণতান্ত্রিক যাত্রার ওয়াকওয়ে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন পর্যায়ের ঐতিহাসিক চিত্র দেখেন।

দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে শহীদদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘরও পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমসংক্রান্ত বিভিন্ন সেকশন ঘুরে দেখেন তিনি।

জাদুঘরে সংরক্ষিত শহীদদের চিঠি, স্মারক ও বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন দেখে আবেগাপ্লুত হন রাষ্ট্রপতি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং শিক্ষার্থী-জনতার সংগ্রামের বিভিন্ন অংশও পরিদর্শন করেন তিনি।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করেন।

শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ও আত্মোৎসর্গকারী ছাত্র-জনতার অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে মনসুন থিয়েটারে ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখেন রাষ্ট্রপতি। এরপর জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি।

এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর-রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া জুলাই জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আবরার ইলিয়াস ও মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধও উপস্থিত ছিলেন।

জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি