1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

পানির নিচে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক প্রবেশ বন্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সেতুতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর থেকে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

‎গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে। এর প্রভাবে রাঙামাটি শহরের পর্যটন কমপ্লেক্স এলাকায় হ্রদের ওপর নির্মিত ঝুলন্ত সেতুটির বিভিন্ন অংশ পানির নিচে চলে যায়।

‎পর্যটন কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির পাটাতনের অধিকাংশ অংশ পানিতে ডুবে যাওয়ায় সেখানে পর্যটকদের চলাচল নিরাপদ নয়। এ কারণে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সেতুটিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্যমতে, শনিবার দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল) রেকর্ড করা হয়েছে। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে গেলে ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। তবে পানি বেশি বেড়ে যাওয়ায় এবার সেতুটির বড় একটি অংশ পানির নিচে চলে গেছে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সেতুতে ওঠার সুযোগ না থাকায় অনেকে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা বলেন, হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেতুতে প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্ষায় কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়লে প্রতি বছরই ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। তবে এবার পানি দ্রুত বাড়ায় সেতুটির বেশির ভাগ অংশ পানিতে ডুবে গেছে। এ কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সেতুতে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেতুটি আবার পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় উজান ও ভাটি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১০টা থেকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি ছাড়া হবে।‎

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি