1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নে প্রস্তাবক মঈন খান, সমর্থক গয়েশ্বর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে ৩০ বেজি নিয়েছিল জাপান, সেই বেজি নির্মূলেই লাগল ৪৫ বছর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড কর্নেল অলির পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ চাকরি গেল বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ঢাবি অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

ঢাবি অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
মুসলিমদের ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ শব্দের ব্যবহারকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে ব্যাখ্যা দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে আবেদন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসানের সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলম। বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান (আলফেসানী) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য ব্যাখ্যা করেন অধ্যাপক জিয়াউর রহমান। এসবকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলের টক শো-তে অংশ নিয়ে ‘ধর্মের অপব্যাখ্যায় জঙ্গিবাদ’ বিষয়ক আলোচনায় মুসলিমদের শুদ্ধ উচ্চারণে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য ব্যাখ্যা করেন জিয়া রহমান। এমনকি এসবকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক জিয়া।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমলোচনা হয়। এরপর ২২ অক্টোবর অধ্যাপক জিয়াকে লিগ্যাল নেটিশ পাঠান মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ শেখ ওমর শরীফ। সেই সঙ্গে তার দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি