1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’ মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক শেরপুরে শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দেয় ফেল করা শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জে মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান ১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

বারহাট্টায় সৎ ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাই খুন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১

নেত্রকোনার বারহাট্টায় জমিতে সেচ দেয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে বড়ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোটভাই নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম পলাশ মিয়া (৩০)। অভিযুক্ত ভাই আলামিন মিয়া (৪০)। তারা উপজেলার গোড়াউন্দ গ্রামের রব মিয়া ছেলে। অভিযুক্ত আলামিন এ ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত পলাশ মিয়ার ছোট ভাই মো. পিতাস (১৯) বলেন, আমরা শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির উঠানে আমাদের সৎ বড়ভাই আলামিনের সাথে জমিতে পানি দেওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম। আলোচনার একপর্যায়ে আলামিন উত্তেজিত হয়ে আমার ভাই পলাশকে বাঁশ দিয়ে মারাত্মক আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাইকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার সময় আমার ভাই মারা যায়। আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।

আশপাশের কয়েকজন বলেন, ঘটনার সময় আমরা সবাই উপস্থিত ছিলাম। অভিযুক্ত আলামিন মিয়া জমিতে পানি দেওয়ার সামান্য বিষয়ে নিয়ে তার সৎ ভাইদের সাথে কথা কাটাকাটি করছিল। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে আলামিন মিয়া বাঁশের লাঠি দিয়ে পলাশ মিয়ার মাথায় আঘাত করে। তখন পলাশ মিয়া ঘটনাস্থলেই মাঠিতে পড়ে যায়। আমরা তাকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, আমি ওই ঘটনার বিষয়ে শোনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করি। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। তবে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি