1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘নথি’ বলছে গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ, মন্ত্রীর দাবি ‘সিদ্ধান্ত হয়নি’ ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর ৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ কারামুক্ত আ.লীগ নেতাকর্মীদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আটক ৪ বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ : ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

পাবনায় কিশোরী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, প্রেমিকসহ আটক ৩

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

পাবনায় কিশোরী রিয়া খাতুন (১৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রেমিকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকার পীরপুরের পদ্মা নদীর তীর থেকে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রিয়া খাতুন ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজিজুল প্রামানিকের মেয়ে। সে জালালপুর কছিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. নাঈম (২১), শফিক শেখের ছেলে মো. ইয়াসিন শেখ (১৯) এবং শিমুল প্রামানিকের ছেলে তুহিন প্রামানিক (১৭)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত নাঈমের সঙ্গে নিহত রিয়া খাতুনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে নাঈমের বাসায় যায় রিয়া। সেখানে পার্লারে যাওয়ার জন্য ধার করা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে বিরোধে রূপ নেয়।

তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে নাঈম ভিকটিমকে ধারালো চাকু প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখান এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ নিজ বিছানায় রেখে চাদর দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পরে নাঈম তার বন্ধু তুহিন ও ইয়াসিনকে ডেকে ঘটনাটি জানান এবং মরদেহ গোপনে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা চান। পরে তিনজন মিলে মরদেহ প্রাইভেট কারে করে পদ্মা নদীর তীরে ফেলে দেন।

রেজিনুর রহমান বলেন, ঘটনার পর পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর নির্দেশনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ছায়া তদন্ত শুরু করে। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করে। পরে আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মরদেহ পরিবহনকারী একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।

পাবনা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর আটকদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি