1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ৩ মনোনয়নপত্র জমা, প্রার্থী মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নে প্রস্তাবক মঈন খান, সমর্থক গয়েশ্বর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে ৩০ বেজি নিয়েছিল জাপান, সেই বেজি নির্মূলেই লাগল ৪৫ বছর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড কর্নেল অলির পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ চাকরি গেল বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক প্রত্যাহার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় মামলা করতে গেলে বর ও কনে দুই পরিবারের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ঈশ্বরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হাসানকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান এ নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ছুটিতে থাকার কারণে গতকাল রোববার পুলিশ লাইনসে যোগ দেননি কামরুল হাসান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট উপজেলার উচাখিলার আলাদিয়া গ্রামের তারা মিয়ার নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে মিজান মিয়া বিজয়ের সঙ্গে তার মামাতো বোনের জোরপূর্বক পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে দেওয়া হয়। বরের বয়স ছিল ১৪, কনের ১৮-এর ওপরে। জোরপূর্বক বিয়ের পর কনের বাড়িতে আটকে রাখার কয়েক দিনের মাথায় নতুন জামাই-বউকে কৌশলে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে বরের পরিবার থেকে কিশোর বিজয়কে উদ্ধার এবং কনের পরিবার থেকে বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে মারধর ও বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করতে দুই পক্ষ থানায় যায়।

অভিযোগ রয়েছে, মামলা নথিভুক্ত করতে বিজয়ের পরিবার থেকে ২৪ হাজার ও কনের পরিবার থেকে ২৭ হাজার টাকা ঘুষ নেন এএসআই কামরুল হাসান।

বিজয়ের নানা কলিম উদ্দিন দাবি করেন, ‘বিজয়কে উদ্ধারের জন্য থানায় এলে মামলা নথিভুক্ত করতে গ্রাম পুলিশ মানিকের মাধ্যমে এএসআই কামরুল হাসান প্রথমে চার হাজার টাকা পরে আরও ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।’

অন্যদিকে, এএসআই কামরুল বর বিজয়কে ফিরিয়ে দিতে কনের পিতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। চাপের মুখে বিজয়কে বের করে দেওয়া হয়। তবে কনের পিতা মামলা করতে গেলে তার কাছ থেকে প্রথমে চার হাজার পরে দফায় দফায় আরও ২৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন। একপর্যায়ে মামলা নথিভুক্ত করতে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে বিষয়টি শনিবার দুপুরে কনের পরিবারের লোকজন জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে শনিবার রাতেই এএসআই কামরুল হাসানকে ঈশ্বরগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়ে পুলিশ লাইনসে যোগদানের নির্দেশ দেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের মিয়া জানান, শনিবার রাতে এএসআই কামরুল হাসানকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। কামরুল হাসান আগে থেকেই ছুটি নিয়ে নেত্রকোনায় গ্রামের বাড়িতে থাকায় পুলিশ লাইনসে যোগ দিতে পারেননি। প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন ‘ কী অভিযোগে কামরুলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বিষয়টি সম্বন্ধে আগে অবগত ছিলাম না। প্রত্যাহারের পর জানতে পেরেছি’।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি