<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ফিচার &#8211; angortv.com</title>
	<atom:link href="https://www.angortv.com/category/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.angortv.com</link>
	<description>আঙ্গর ঐতিহ্য সংস্কৃতির কথা</description>
	<lastBuildDate>Thu, 03 Jul 2025 11:03:47 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2026/01/Untitled-2-150x150.png</url>
	<title>ফিচার &#8211; angortv.com</title>
	<link>https://www.angortv.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>২৯০ আরোহীসহ ইরানের উড়োজাহাজ কেন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ধ্বংস করেছিল যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a7%a8%e0%a7%af%e0%a7%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a7%a8%e0%a7%af%e0%a7%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 11:03:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=35218</guid>

					<description><![CDATA[সুন্দর রোদেলা সকাল। ঝাঁ–চকচকে নীল আকাশ। পারস্য উপসাগরের ওপর দিয়ে বইছে ঝিরিঝিরি মিঠে হাওয়া। এমন চমৎকার আবহাওয়ায় উড়াল দিয়েছিল একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। এতে দেশি-বিদেশি ২৭৪ জন যাত্রী আর ১৬ জন ক্রু ছিলেন। কে ভেবেছিলেন, এটাই হবে এই ২৯০ জনের শেষ উড়াল। মুহূর্তের মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে আঘাত হানবে উড়োজাহাজটিতে। মাঝ আকাশেই সেটি ভেঙে টুকরা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="241c6c32-d497-4d29-9fbb-11fa9b4791a4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-35219" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Iran_Air_Airbus_A300B2-203_EP-IBU_Lemwerder_Airfield_1987.jpg" alt="" width="900" height="480" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Iran_Air_Airbus_A300B2-203_EP-IBU_Lemwerder_Airfield_1987.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Iran_Air_Airbus_A300B2-203_EP-IBU_Lemwerder_Airfield_1987-300x160.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Iran_Air_Airbus_A300B2-203_EP-IBU_Lemwerder_Airfield_1987-768x410.jpg 768w" sizes="(max-width: 900px) 100vw, 900px" />সুন্দর রোদেলা সকাল। ঝাঁ–চকচকে নীল আকাশ। পারস্য উপসাগরের ওপর দিয়ে বইছে ঝিরিঝিরি মিঠে হাওয়া। এমন চমৎকার আবহাওয়ায় উড়াল দিয়েছিল একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। এতে দেশি-বিদেশি ২৭৪ জন যাত্রী আর ১৬ জন ক্রু ছিলেন। কে ভেবেছিলেন, এটাই হবে এই ২৯০ জনের শেষ উড়াল। মুহূর্তের মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে আঘাত হানবে উড়োজাহাজটিতে। মাঝ আকাশেই সেটি ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যাবে, এমনটাই-বা কে ভেবেছিলেন।</p>
<p>ঘটনাটি ১৯৮৮ সালের আজকের দিন অর্থাৎ ৩ জুলাইয়ের। ঘটনাস্থল পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি। চমৎকার আবহাওয়ায় হরমুজ প্রণালিঘেঁষা ইরানের বন্দর আব্বাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেয় ইরান এয়ারের ফ্লাইট ৬৫৫। এয়ারবাস এ-৩০০ মডেলের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটির গন্তব্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। সঙ্গে মোট ২৯০ জন আরোহী। এরপরই বিশ্বের আকাশসেবা খাতের অন্যতম বড় ট্র্যাজেডির শিকার হয় উড়োজাহাজটি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="web-interstitial-ad">
<div class="dfp-ad-unit print-none " data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="web-interstitial-adx-world-middle-east-aw89rrc9ob-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CKmu7tDBoI4DFf-bZgIdUowazg">
<div id="google_ads_iframe_85406138/Web_Interstitial_AdX_0__container__"><strong>সময় মাত্র ৭ মিনিট</strong></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="ced66754-5bec-4b88-a77a-16c341b34bb3">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<p>ঘড়িতে তখন সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর ইরানের বন্দর আব্বাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেয় ফ্লাইট ৬৫৫। ওই সময় নিরাপত্তার জন্য হরমুজ প্রণালিতে মোতায়েন করা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ভিনসেন্স। সেখান থেকে উড়োজাহাজটি লক্ষ্য করে পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।</p>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text story-element-text-blurb">
<div>
<blockquote><p>ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঘটেছে। যদিও পরে সেটা ভুল প্রমাণিত হয়। উড়োজাহাজটি ইরানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থাতে হামলার শিকার হয়েছিল। বলা হয়, অনুমোদিত বাণিজ্যিক বিমানপথে উড়োজাহাজটি নির্ধারিত গতির চেয়ে ধীরে আসার কারণে এই ‘ভুল’ হয়েছে।</p></blockquote>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি উড়ে গিয়ে আঘাত হানে ফ্লাইট ৬৫৫-এ। মাঝ আকাশে ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যায় ইরানের ওই উড়োজাহাজ। প্রাণ হারান ২৯০ আরোহীর সবাই। তখন ঘড়িতে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিট। অর্থাৎ উড্ডয়নের মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয় উড়োজাহাজটি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div class="dfp-ad-unit print-none " data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="mcanvas1x1-799f6f8b-4a96-4c0d-b129-a330c77cbf5c-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CN-m7tDBoI4DFSuiZgIdVnsFNg">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"><strong>যুদ্ধের সময়ের উৎকণ্ঠা</strong></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="fea1ee53-ff38-493c-b6fa-769701b1a552">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<p>ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এ ঘটনার ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইরানের আকাশসীমায় দেশটির একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ কেন ধ্বংস করলে যুক্তরাষ্ট্র? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে একটু পেছনে যেতে হবে। বুঝতে হবে তখনকার সময়টাকে। উপলব্ধি করতে হবে ইরান, বিশেষত হরমুজ প্রণালির কৌশলগত অবস্থান ও গুরুত্বকে।</p>
<p>১৯৮০ সালের সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি যুদ্ধের সূচনা হয়। ইতিহাসে এই যুদ্ধ ইরান-ইরাক যুদ্ধ নামে পরিচিত। কেউ কেউ একে প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ বলেন। থেমে থেমে আট বছর ধরে চলে দুই দেশের যুদ্ধ। ১৯৮৮ সালের আগস্টে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধের লাগাম টানা হয়।</p>
<p>যা–ই হোক, ফ্লাইট ৬৫৫ যখন ধ্বংস করা হয়, অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে তখনো ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ চলছিল। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের তখনো এক দশক পার হয়নি। এর মধ্যেই দেশটি বড় একটি যুদ্ধে জড়িয়েছে। যুদ্ধের সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের (বিশেষত জ্বালানি বাণিজ্যের) কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় ছিল ইরান। একই উদ্বেগ ছিল ইরাকের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোরও।</p>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-card-image">
<div class="story-element-caption-attribution-wrapper"><strong>হরমুজের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ</strong></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="1a7d94b3-6cdf-44e6-b334-a117c8f2cf47">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<p>যুদ্ধের সময়ের কয়েকটি ঘটনা জানলে তখনকার সময় আর পরিস্থিতি বোঝাটা সহজ হবে। তখন ইরান যেকোনো মূল্যে পারস্য উপসাগর হয়ে ইরাকের জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর। এ জন্য জ্বালানিবাহী নৌযানে মাইন পেতে রাখা, রকেট ছুড়ে জ্বালানিবাহী নৌযান ধ্বংস—নিত্যদিন এমন নানা তৎপরতা চলছিল। তেহরানের বিরুদ্ধে ইরাকও একই ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছিল।</p>
<p>এর মধ্যে ১৯৮৭ সালের একদিন একটি ইরাকি যুদ্ধবিমান ভুল করে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিগেট ইউএসএস স্টার্কে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইরানের জ্বালানিবাহী ট্যাংকার মনে করায় এই ‘ভুল’ হয়। এতে ৩৭ জন মার্কিন নাবিক নিহত হন। নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কায় পড়ে যায় পশ্চিমারা।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="5e21548d-e0b7-41c3-8155-49ea440ebc2c">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>১৯৮৮ সালের ১৪ এপ্রিল পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিগেট ইউএসএস স্যামুয়েল বি রবার্টসে মাইন পাতে ইরানিরা। এর ফলে জাহাজটি প্রায় দুই টুকরা হয়ে যায়। এর চার দিন পর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেয় মার্কিন নৌবাহিনী।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-card-image">
<div>
<div class="woq9M">
<figure class="qt-figure"><picture class="qt-image"><img decoding="async" class="qt-image image" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F5nlvpdxu%2FA-replica.webp?w=640&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif" sizes="(max-width: 500px) 98%, (max-width: 875px) 48%, 23%" srcset="//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F5nlvpdxu%2FA-replica.webp?w=450&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 450w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F5nlvpdxu%2FA-replica.webp?w=600&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 600w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F5nlvpdxu%2FA-replica.webp?w=622&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 622w" alt="সাগরে ফ্লাইট ৬৫৫-এর রেপ্লিকা ভাসিয়ে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করছেন ইরানিরা" data-bg="/media-placeholder.svg" /></picture></figure>
</div>
</div>
<div class="story-element-caption-attribution-wrapper">সাগরে ফ্লাইট ৬৫৫-এর রেপ্লিকা ভাসিয়ে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করছেন ইরানিরাফাইল ছবি: এএফপি</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এই সংকটময় পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালির পাশে আন্তর্জাতিক জলসীমায় মোতায়েন করা হয় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ভিনসেন্স। এর উদ্দেশ্য ছিল দুটি—এক, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দুই, ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে তেহরানকে কৌশলগত চাপে রাখা।</p>
<p>এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান সরকার হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় এফ-১৪ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সেখান থেকে সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর বন্দর আব্বাসে। কাজেই এই বিমানবন্দর তখন সামরিক ও বেসামরিক—দুই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মার্কিনদের আশঙ্কা ছিল ইরান এফ-১৪ যুদ্ধবিমান থেকে মার্কিন নৌযানে হামলা চালাতে পারে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div class="dfp-ad-unit print-none Tlph-" data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="News_InArticle2_300x250-799f6f8b-4a96-4c0d-b129-a330c77cbf5c-4-0" class=" adBox" data-google-query-id="CNy-8NDBoI4DFTynZgIda6whtQ">
<div id="google_ads_iframe_85406138/News_InArticle2_300x250_0__container__"><strong>‘ভুল’ থেকে ট্র্যাজেডি</strong></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="1a883232-2163-446a-ac9a-92940a48e97d">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<p>ফ্লাইট ৬৫৫ ট্র্যাজেডির আগের দিন ইরানের একটি এফ-১৪ যুদ্ধবিমান মার্কিন নৌযানের কাছাকাছি চলে আসে। পরে ক্রুজার ইউএসএস হেলসি থেকে সতর্ক করা হলে ইরানের যুদ্ধবিমানটি ফিরে যায়।</p>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text story-element-text-blurb">
<div>
<blockquote><p>ইউএসএস ভিনসেন্সের ক্যাপ্টেন রজার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ‘লিজিওন অব মেরিট’ পদক দেওয়া হয়েছে। পেশাজীবনে ‘অসামান্য অবদানের’ স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯০ সালে তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়। যদিও তখন ফ্লাইট ৬৫৫ ট্র্যাজেডির কথা কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।</p></blockquote>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>যা–ই হোক, ৩ জুলাই সকালে ইউএসএস ভিনসেন্স আরেকটি মার্কিন ফ্রিগেট ইউএসএস মন্টেগোমারির পাশাপাশি থেকে লড়াইয়ে নিয়োজিত ছিল। তখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের গানবোটগুলোর সঙ্গে গোলাগুলি চলছিল। কারণ, ইরানি নৌযানগুলো একটি পাকিস্তানি ট্যাংকারের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছিল। যেকোনোভাবে পাকিস্তানি নৌযানটিকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালি পার করে দেওয়া ছিল মার্কিন যুদ্ধজাহাজটির উদ্দেশ্য।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="f335de6c-29b3-45d4-9d14-826460a1f59b">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ইউএসএস ভিনসেন্সের ক্যাপ্টেন ছিলেন উইলিয়াম সি রজার্স তৃতীয়। মার্কিন নৌবাহিনীর তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৪৭ মিনিটের পর ক্যাপ্টেন রজার্স একটি বার্তা পান। তাতে বলা হয়, ইরানের ‘অজ্ঞাত’ একটি উড়োজাহাজ ইউএসএস ভিনসেন্সের দিকে এগিয়ে আসছে। ইরানি উড়োজাহাজটিকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেটি সাড়া দেয়নি।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-card-image">
<div>
<div class="woq9M">
<figure class="qt-figure"><picture class="qt-image"><img decoding="async" class="qt-image image aligncenter" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F6cjp3m6u%2Fc831f6db-fc26-4560-ae76-31276f68d751-1.jfif?w=640&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif" sizes="(max-width: 500px) 98%, (max-width: 875px) 48%, 23%" srcset="//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F6cjp3m6u%2Fc831f6db-fc26-4560-ae76-31276f68d751-1.jfif?w=450&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 450w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F6cjp3m6u%2Fc831f6db-fc26-4560-ae76-31276f68d751-1.jfif?w=600&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 600w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F6cjp3m6u%2Fc831f6db-fc26-4560-ae76-31276f68d751-1.jfif?w=622&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 622w" alt="হরমুজ প্রণালি পার হচ্ছে দুটি তেলের ট্যাংকার। ২১ ডিসেম্বর ২০১৮" data-bg="/media-placeholder.svg" /></picture></figure>
</div>
</div>
<div class="story-element-caption-attribution-wrapper">হরমুজ প্রণালি পার হচ্ছে দুটি তেলের ট্যাংকার। ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ ছবি: রয়টার্স</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>মার্কিন নৌবাহিনীর তদন্তে আরও বলা হয়েছে, ইরানের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটি অনুমোদিত বাণিজ্যিক বিমানপথে ছিল। নিচে হরমুজ প্রণালিতে সংঘাতের বিষয়ে উড়োজাহাজটিকে আগাম সতর্ক করা হয়নি। এমনকি রাডারে শনাক্ত হওয়ার পর মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হলেও ইরানি উড়োজাহাজের পাইলট সাড়া দেননি।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেন রজার্স মনে করেন, ইরানিরা হয়তো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার জন্য এফ-১৪ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। তিনি ‘বিপদ বুঝে’ অতিদ্রুত প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন। মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি থেকে পরপর দুটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যায়। এর একটির আঘাতে আকাশেই ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যায় ইরানের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="4b36d988-cd3a-4baf-ad5c-6b0b685243c5">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>পরবর্তী সময় তদন্ত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলে এটা একটি ‘মর্মান্তিক ও দুঃখজনক দুর্ঘটনা’ ছিল। এর সবই হয়েছিল সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট থেকে ১০টা ৫৪ মিনিট, অর্থাৎ মাত্র ৭ মিনিটের মধ্যে।</p>
<p>ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঘটেছে। যদিও পরে সেটা ভুল প্রমাণিত হয়। উড়োজাহাজটি ইরানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থাতে হামলার শিকার হয়েছিল। বলা হয়, অনুমোদিত বাণিজ্যিক বিমানপথে উড়োজাহাজটি নির্ধারিত গতির চেয়ে ধীরে আসার কারণে এই ‘ভুল’ হয়েছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="f29b1a01-fa15-4a3d-94ff-109610d76bf1">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p><strong>আন্তর্জাতিক আদালতে ইরান</strong></p>
<p>ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উড়োজাহাজ ধ্বংস এবং ২৯০ আরোহীকে ‘হত্যার’ অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যায় ইরান। দেশটি ১৯৮৯ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনে।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>শুরু হয় বিচারকাজ, তবে বিচার শেষ হয়নি, বরং সমঝোতার ভিত্তিতে এই মর্মান্তিক ইতিহাসের ইতি টানা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতায় পৌঁছায়। উড়োজাহাজ ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ইরানকে প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেয় ওয়াশিংটন। আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় ‘গভীর সহানুভূতি’ জানানো হয়।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতার জেরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে অভিযোগ তুলে নেয় ইরান। এই ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার থেকে শুরু করে দেশি–বিদেশি অধিকারকর্মী—অনেকেই নিন্দা জানান।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-title">
<p><strong>সরব হয়েছিলেন রুহানি</strong></p>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>সময়টা ২০১৯ সাল। ইরানে তখন ক্ষমতায় প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ফ্লাইট ৬৫৫ ট্র্যাজেডির বর্ষপূর্তির সময় মন্ত্রিসভার বৈঠকে রুহানি চাপা পড়া বিষয়টি নতুন করে সামনে আনেন। তোপ দাগেন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। ওই সময় বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের নতুন নাম রাখা হয় ‘ফ্লাইট ৬৫৫ শহীদ বিমানবন্দর’।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-card-image">
<div>
<div class="woq9M">
<figure class="qt-figure"><picture class="qt-image"><img decoding="async" class="qt-image image" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F3z9ac5qs%2FRouhani.jpg?w=640&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif" sizes="(max-width: 500px) 98%, (max-width: 875px) 48%, 23%" srcset="//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F3z9ac5qs%2FRouhani.jpg?w=450&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 450w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F3z9ac5qs%2FRouhani.jpg?w=600&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 600w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-03%2F3z9ac5qs%2FRouhani.jpg?w=622&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 622w" alt="ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি" data-bg="/media-placeholder.svg" /></picture></figure>
</div>
</div>
<div class="story-element-caption-attribution-wrapper">ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিফাইল ছবি: রয়টার্স</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>মন্ত্রিসভার বৈঠকে রুহানি বলেছিলেন, এটা কেউ বিশ্বাস করবে না যে এয়ারবাসের মতো বড়সড় একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজকে যুদ্ধবিমান ভেবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভুল করবে। আর যদি ভুল করেও থাকে, তাহলে কি এফ-১৪–কে হামলা করে বসবে? এফ-১৪ কোনো বোমারু বিমান নয়। এটি শুধু বাধা দেওয়ার কাজে আর ডগফাইটে ব্যবহৃত হয়। এতে আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র থাকে না।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div class="dfp-ad-unit print-none Tlph-" data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="News_InArticle2_300x250-799f6f8b-4a96-4c0d-b129-a330c77cbf5c-8-0" class=" adBox" data-google-query-id="CJKD8dDBoI4DFSKFZgIdtzcelw"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="c4a576a9-27ae-41f6-b400-299ed8de55a1">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read">
<div class="_-2jpv">
<div class="card-with-image-zoom iNm4c qt-image-dynamic image3x2 card-image-wrapper JCQpo _8mCoa UUq0z">
<figure class="qt-figure"><picture class="qt-image zoom-desktop default"><img decoding="async" class="qt-image image" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-02%2F1bd4m6jk%2FUntitled_3.png?w=80&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif" sizes="(max-width: 500px) 98%, (max-width: 875px) 48%, 23%" srcset="//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-02%2F1bd4m6jk%2FUntitled_3.png?w=80&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 80w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-02%2F1bd4m6jk%2FUntitled_3.png?w=80&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 80w,//media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-07-02%2F1bd4m6jk%2FUntitled_3.png?w=80&amp;auto=format%2Ccompress&amp;fmt=avif 80w" alt="হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে তেলবাহী জাহাজ। ২১ ডিসেম্বর ২০১৮" data-bg="/media-placeholder.svg" /></picture></figure>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট রুহানি ওয়াশিংটনের সমালোচনা করে বলেছিলেন, ‘এমন ভুল গ্রহণযোগ্য নয়।’ ক্ষমা চাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা (মার্কিনরা) এ জন্য ইরানি জাতির কাছে আজও ক্ষমা চায়নি। যুদ্ধজাহাজের ক্যাপ্টেনকে শাস্তি দেয়নি, বরং পুরস্কৃত করেছে। মার্কিনরা ঠান্ডামাথায় বড় অপরাধ করেছে।’</p>
<p>ইউএসএস ভিনসেন্সের ক্যাপ্টেন রজার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ‘লিজিওন অব মেরিট’ পদক দেওয়া হয়েছে। পেশাজীবনে ‘অসামান্য অবদানের’ স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯০ সালে তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়। যদিও তখন ফ্লাইট ৬৫৫ ট্র্যাজেডির কথা কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার ফ্লাইট ৬৫৫ ট্র্যাজেডিকে ‘ভুল’ বলা হয়েছে। ক্ষমা না চাইলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ‘সহানুভূতি’ জানানো হয়েছে। উল্টোদিকে ইরানিদের কাছে নিহত ২৯০ জন শহীদের মর্যাদা পেয়েছেন। ইরানের জনগণ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে ৩ জুলাই শোক আর বেদনার দিন। ৩৭ বছর পর আজও তাঁরা শোকের মধ্যে সান্ত্বনা খুঁজছেন।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্র:</strong> সিএনএন, ইরান ফ্রন্ট পেজ নিউজ ও ব্রিটানিকা।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a7%a8%e0%a7%af%e0%a7%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেমন কেটেছিল ডিবি হেফাজতে সাত সমন্বয়কের সাত দিন</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 06:59:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=35152</guid>

					<description><![CDATA[২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তা গণআন্দোলনে রূপ নেয়, তখন তৎকালীন সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই আন্দোলন দমন করতে নানা পথ খুঁজছিল। সে সময় আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছয় সমন্বয়ককে তুলে নিয়ে রাজধানীর মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে সাত দিন ধরে তাদের ওপর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="size-full wp-image-35153 aligncenter" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Untitled-1-8.jpg" alt="" width="900" height="480" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Untitled-1-8.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Untitled-1-8-300x160.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2025/07/Untitled-1-8-768x410.jpg 768w" sizes="(max-width: 900px) 100vw, 900px" />২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তা গণআন্দোলনে রূপ নেয়, তখন তৎকালীন সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই আন্দোলন দমন করতে নানা পথ খুঁজছিল। সে সময় আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছয় সমন্বয়ককে তুলে নিয়ে রাজধানীর মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে সাত দিন ধরে তাদের ওপর চলে নানা চাপ, হুমকি ও অপমানজনক আচরণ। অস্ত্রের মুখেও তাদের আদর্শচ্যুত করা সম্ভব হয়নি—বরং এই ঘটনাই আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে।</p>
<p>পৃথক সময় ও স্থান থেকে বলপ্রয়োগ করে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ জুলাই ঢাকার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে তুলে নেওয়া হয়। পরদিন ২৭ জুলাই সায়েন্সল্যাব এলাকা থেকে তুলে নেওয়া হয় সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে। ২৮ জুলাই ভোরে বাসায় হানা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নুসরাত তাবাসসুমকে।</p>
<p>এই সাত দিন ডিবি হেফাজতে কী ঘটেছিল, তার কিছুটা জানাজানি হলেও অনেক কিছুই এখনও অজানা। তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, পরিবারের সদস্যদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা, ভিডিও বার্তা রেকর্ড করানো, অনশন কর্মসূচি গোপন রাখা—এসব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে আসে।</p>
<p>ডিবি হেফাজতে নেওয়ার কোনও আইনগত ভিত্তি নেই—এ বিষয়ে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে বলা আছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অথচ সমন্বয়কদের আটকের ক্ষেত্রে এসব বিধান মানা হয়নি।</p>
<p>পরে ছয় সমন্বয়কের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ১৯ জুলাই থেকেই আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিন্ন করতে গুম, গ্রেফতার, নির্যাতন ও হয়রানি শুরু হয়। ডিবি হেফাজতের সাত দিনেও চলে সেই ধারাবাহিকতা। সরকার ও ডিবি কর্তৃপক্ষ যদিও ‘নিরাপত্তার জন্য’ আটকের কথা বলেছিল, বাস্তবে তাদের বিচ্ছিন্ন রেখে আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ারই চেষ্টা ছিল।</p>
<p>তাদের ভাষ্য, আমরা মতপ্রকাশের অধিকার চেয়েছিলাম, নিরাপত্তার নামে আটকের নাটক চাইনি। ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ভিডিও স্টেটমেন্ট আমাদের স্বেচ্ছায় দেওয়া ছিল না। আমাদের কোনো সিদ্ধান্তই আন্দোলনের সব অংশগ্রহণকারীকে ছাড়া গ্রহণযোগ্য নয়।</p>
<p>যৌথ বিবৃতিতে তারা আরও জানান, ডিবি অফিসে তাদের জোর করে খাবারের টেবিলে বসিয়ে ভিডিও রেকর্ড করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখে, অথচ দেখা করতে দেওয়া হয়নি। অনশন কর্মসূচি চালু করা হলেও তা বাইরে জানানো হয়নি।</p>
<p>৩০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অনশন ছিল তাদের প্রতিরোধের সবচেয়ে সাহসী পদক্ষেপ। নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদার প্রথম অনশনে বসেন। পরে সারজিস, হাসনাত ও নুসরাত তাবাসসুম অনশনে যোগ দেন। প্রায় ৩২ ঘণ্টা অনশনের পর ডিবি প্রধান মুক্তির সিদ্ধান্ত নিলে অনশন ভাঙা হয়। ১ আগস্ট দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে পরিবারের জিম্মায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।</p>
<p>এই পুরো সময়টিতে তাদের ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হয়রানি, ভয়ভীতি, চাপ প্রয়োগ, এমনকি নাটকীয় মঞ্চায়নের অভিযোগও উঠে। সমন্বয়করা অভিযোগ করেন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই তাদের অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছিল। সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ছাত্রদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল।</p>
<p>ছাড়া পাওয়ার পর সমন্বয়করা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারও আন্দোলনের ঘোষণা দেন এবং রাজপথে নামার জন্য সারাদেশের ছাত্র ও নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p><strong>অভিজ্ঞতা বর্ণনা</strong></p>
<p>সেই কঠিন সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে আবু বাকের মজুমদার বলেন, ওই সময়ের অসংখ্য স্মৃতি আছে যেগুলো বেদনাদায়ক। তার মধ্যে নাহিদ ভাই ও আসিফ ভাই খুব বেশি অসুস্থ ছিলেন। আমরা তিন জন একই ফ্লোরে ছিলাম মাঝেমধ্যে দেখা হতো গেস্ট রুমে। যেখানে চাপ প্রয়োগ করতো, এটা আমার কাছে খারাপ লাগার ছিল। এরকম আরও অনেক ঘটনা আছে। খাবার খেতে দিতো বরং আমরা খেতে চাইতাম না। পরে তো আমরা অনশনে চলে যায়। এখানে একেকজন একেক রকম চাপ দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাপ দিয়েছিল নাহিদ ভাইকে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমাদের মারধর করেছে, খারাপ ব্যবহার করেছে, প্রথম দিন পিস্তল সামনে রেখে খুব বাজে ব্যবহার করেছে। আরেকটা বিষয় জুলাই আন্দোলনে ডিবির সদস্যরা কে কয়টা গুলি চালাতো, তা কার্যালয়ে এসে রিপোর্ট দেওয়া লাগত। রিপোর্ট দেওয়া সময় একজনকে দেখেছি, একদিনে সে গুলি চালিয়েছে প্রায় ৪৩টি। আবার কেউ কেই দেখেছি দুইটা-তিনটা করে গুলি চালিয়েছে এমন রিপোর্ট দিচ্ছে। বেশিরভাগই খুব কম রাউন্ড গুলি চালিয়েছে এর মধ্যে এক দুজনকে দেখলাম যে বেশি গুলি চালিয়েছে। যারা অতিরিক্ত গুলি চালিয়েছে, এই লোকগুলোকে মূলত আওমী লীগের লোক মনে হয়েছে। এ সন্দেহটা আমাদের হয়েছে।’</p>
<p>‘এছাড়া এসময় বাইরে আরও যারা ছিল, আমাদের সহযোদ্ধা তাদের জন্য আমাদের খারাপ লাগছিল। আমরা যখন ডিবি অফিসে ছিলাম এসময় বাইরে আন্দোলনটা তেমন স্ট্রংলি হচ্ছিল না। তবে পুলিশ সদস্যদের কেউ কেউ আমাদের পক্ষেও ছিল। তাদের কাছ থেকে কিছু তথ্য পেতাম।’</p>
<p>আবু বাকের মুজমদার আরও বলেন, ‘সাহসী ভূমিকা ছিলই আমরা যে ডিবি হেফাজতে আছি এইরকম মানসিকতা ছিল না। আমরা যে এদের হেফাজতে আছি, তাদের ভয় পাচ্ছি; সেটা বুঝতে দেইনি। আমরা প্রতিদিনই সাহসী ভূমিকা রেখেছি। তাদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যেতাম। আমাদের সবচেয়ে সাহসী ভূমিকা ছিল অনশনে বসা। এসময় আমাদের শেখ হাসিনার দেখা করানোর জন্য একটা চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। তখন আমরা বলেছি, আমরা শেখ হাসিনার দেখা করবো না; এজন্যই অনশনে বসেছি। আমাদের নিতে পারেনি, এটা আমাদের সঠিক একটা সিদ্ধান্ত ছিল। ডিবি হেফাজতে অনেক ভয়ংকর ছিল, ক্রিটিকালও ছিল। আমরা অনেক মেকানিজম করেছি, ওরাও করেছে। এটা গেইম ছিল। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসা হয়েছে তাদের ঘুরিয়ে দেখিয়েছে। মানে এটা একটা মাল্টিডাইমেনশলা গেইম ছিল।’</p>
<p>এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক নেতা ও ওই সময় ডিবি হেফাজতে থাকা হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের ডিবিতে নেওয়ার একটাই উদ্দেশ্য—আন্দোলন বন্ধ করা। এজন্য আমাদের শারীরিক-মানসিক সবরকম নির্যাতন করা হয়েছে। সেখানে প্রত্যেককে একেকটা এডিসির আন্ডারে দেওয়া হয়েছিল। আমি ছিলাম এডিসি জুনায়েদের আন্ডারে। এই এডিসি জুনায়েদ পুরাটা সময় আমাকে বাথরুমের সামনে রাখে এবং সারাক্ষণ নানা হুমকি, ভয় দেখাতে থাকে। এই প্রসেসটা সব সময়ই চলতে থাকে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়েও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বাইরে যোগাযোগের সুযোগ ছিল না। তবে পুলিশ সদস্যদের কেউ কেউ আমাদের পক্ষেও ছিলেন, তাদের কাছ থেকেই কিছু তথ্য পাওয়া যেতো।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্ধুকে টাকা ফেরত দেওয়ার দিন আজ</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Oct 2024 12:07:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=28552</guid>

					<description><![CDATA[পৃথিবীতে নানা রকম দিবস রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিবসের পাশাপাশি কিছু মজার দিবসও রয়েছে। বিশ্বব্যাপী এসব দিবস পালন করা হয়ে আসছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) তেমনই একটি দিবস। আজ ‘ন্যাশনাল পে ব্যাক এ ফ্রেন্ড’ বা বন্ধুকে টাকা ফেরতের দিন। আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয়ে থাকে দিবসটি। জানা যায়, ব্যাংক অব আমেরিকা এই দিবসকে তাদের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-5915" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2020/12/e0a6b0e0a6bee0a69ce0a6a7e0a6bee0a6a8e0a780e0a6b0-e0a6aee0a78be0a6b9e0a6bee0a6aee0a78de0a6aee0a6a6e0a6aae0a781e0a6b0e0a787-e0a7a8e0a7a6.jpg" alt="" width="900" height="506" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2020/12/e0a6b0e0a6bee0a69ce0a6a7e0a6bee0a6a8e0a780e0a6b0-e0a6aee0a78be0a6b9e0a6bee0a6aee0a78de0a6aee0a6a6e0a6aae0a781e0a6b0e0a787-e0a7a8e0a7a6.jpg 600w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2020/12/e0a6b0e0a6bee0a69ce0a6a7e0a6bee0a6a8e0a780e0a6b0-e0a6aee0a78be0a6b9e0a6bee0a6aee0a78de0a6aee0a6a6e0a6aae0a781e0a6b0e0a787-e0a7a8e0a7a6-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 900px) 100vw, 900px" />পৃথিবীতে নানা রকম দিবস রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিবসের পাশাপাশি কিছু মজার দিবসও রয়েছে। বিশ্বব্যাপী এসব দিবস পালন করা হয়ে আসছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) তেমনই একটি দিবস।</p>
<p>আজ ‘ন্যাশনাল পে ব্যাক এ ফ্রেন্ড’ বা বন্ধুকে টাকা ফেরতের দিন। আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয়ে থাকে দিবসটি।<br />
জানা যায়, ব্যাংক অব আমেরিকা এই দিবসকে তাদের মুনাফা লাভের একটি পদ্ধতি হিসেবে নিয়েছিল। আমেরিকায় এদিনে টাকা পাঠানোর জন্য একাধিক অনলাইন অ্যাপ রয়েছে।</p>
<p>বন্ধুদের মধ্যে টাকা ধার নেওয়া একটি প্রচলিত ব্যাপার। তবে এমন অনেক বন্ধুই আছে যারা টাকা ধার নিয়ে সময় মতো ধারের টাকা পরিশোধ করে না। আর এতে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, বেড়ে যায় দূরত্ব।</p>
<p>বন্ধু ছাড়া জীবন যেমন আনন্দ-রসহীন তেমনি টাকা ছাড়াও আমাদের একটি দিন কাটানোর কথা আমরা ভাবতে পারি না। জীবনে টাকা ও বন্ধু দুইটারই গুরুত্ব অনেক। তাই টাকার জন্য বন্ধুত্বের সম্পর্কের অবনতি না ঘটে সেজন্য বন্ধুদের কাছ থেকে নেওয়া ধারের টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করা জরুরি। তাই বন্ধুদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তাদের কাছ থেকে নেওয়া ধারের টাকা আজ-ই পরিশোধ করুন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ক্ষমা করে সুখী হওয়ার দিন আজ</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Oct 2023 10:16:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=22943</guid>

					<description><![CDATA[আজ ৭ অক্টোবর (শনিবার)। প্রতিবছর এই দিনে নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখা রাগ, ক্ষোভ, অভিমান ভুলে অপরকে ক্ষমা করে সুখী হওয়ার পন্থা অবলম্বনের রেওয়াজ রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ক্ষমা করে সুখী হওয়ার এ দিবস পালনের যৌথভাবে প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন রবার্ট মোয়ার্স নামে এক ব্যক্তি ও ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফরগিভনেস অ্যালায়েন্স। মানুষের পরস্পরকে ভালোবাসার ক্ষমতা অর্জনে ক্ষমা একটি গুরুত্বপূর্ণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-22944" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/10/Screenshot_4-1.jpg" alt="" width="900" height="466" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/10/Screenshot_4-1.jpg 748w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/10/Screenshot_4-1-300x155.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />আজ ৭ অক্টোবর (শনিবার)। প্রতিবছর এই দিনে নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখা রাগ, ক্ষোভ, অভিমান ভুলে অপরকে ক্ষমা করে সুখী হওয়ার পন্থা অবলম্বনের রেওয়াজ রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ক্ষমা করে সুখী হওয়ার এ দিবস পালনের যৌথভাবে প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন রবার্ট মোয়ার্স নামে এক ব্যক্তি ও ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফরগিভনেস অ্যালায়েন্স।</p>
<p>মানুষের পরস্পরকে ভালোবাসার ক্ষমতা অর্জনে ক্ষমা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এমন ধারণা থেকে এ দিবসের প্রচলন করা হয়। এই দিনটি মানুষকে আরও বেশি প্রেমময়, দয়ালু ও অতীতের আঘাতের জন্য অন্যদের ক্ষমা করে কাছে টানতে উৎসাহিত করে।</p>
<p>দিবসটির উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ককে সারিয়ে তোলা এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে ক্ষমা, শান্তি, আনন্দ ও ভালোবাসার বিষয়গুলো বুঝতে সবাইকে উৎসাহিত করাই এ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ক্ষোভ বা সম্পর্কের তিক্ততা ধরে রাখেন, তাদের তুলনায় যারা ক্ষমার অভ্যাস করেন, তারা বেশি সুখী হতে পারেন। ক্ষমা করার উল্লেখযোগ্য উপকারী দিকগুলো হলো—উন্নত মানসিক স্বাস্থ্য, চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস, বিষণ্নতার লক্ষণ কমা, নিম্ন রক্তচাপ, একটি শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমসহ (রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা) অনেক কিছু।</p>
<p>ক্ষমা করে সুখী হওয়ার এ দিবস অন্যদের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার আদর্শ সুযোগ এনে দেয়। যা দীর্ঘমেয়াদে বিপুল স্বাধীনতা ও সুখ বয়ে আনতে পারে। ক্ষমায় সুখ বেছে নেওয়ার দিবসটি বিভিন্ন উপায়ে উদযাপন করা যেতে পারে। এ দিনে জীবনকে আরও সুখী করতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে—</p>
<p><strong>অন্যদের ক্ষমা করার অনুশীলন</strong></p>
<p>বলা হয়ে থাকে, কোনো তিক্ত বা অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ক্ষমা না করার ফলে তিনিই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পান, যিনি নিজের মধ্যে ক্ষোভ ধরে রেখেছেন। এমনকি, কখনো কখনো দেখা যায় বিষয়টি অপর ব্যক্তি জানেনও না কিংবা তিনি মারা গেছেন। আপনার অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করার কঠিন মানসিক কাজটি আপনাকে মুক্তি ও সুখ এনে দেবে। এটি রাতারাতি সম্ভব না-ও হতে পারে, এমনকি একজন কাউন্সেলর বা প্রশিক্ষকের সহযোগিতাও লাগতে পারে। তবে, যারা ক্ষতি করেছে তাদের ক্ষমা করতে চাওয়া সম্পর্ক মেরামতে একটি বিশাল পদক্ষেপ!</p>
<p><strong>অপরের কাছে ক্ষমা চাওয়া</strong></p>
<p>প্রত্যেকেই মানুষ, তাই যে কারোর মাধ্যমে অপরের ক্ষতি হয়ে যায় অনেক সময়। কখনো কখনো লোকেরা দ্রুতই নিজের করা ভুল জানতে পারেন, তবে অনেকে বহু বছর পরেও এটি উপলব্ধি করতে পারেন না। ক্ষমা ও সুখের দিবস তাই অতীতে কারো সঙ্গে এমন কিছু হয়েছে কি না, তা ফিরে দেখার উপযুক্ত সময়। এ দিনে যাদের সঙ্গে নিজের ভুল হয়েছে, তাদের ফোনকল করা, তাদেরকে চিঠি লেখ বা ক্ষমা চাইতে ব্যক্তিগতভাবে তাদের সঙ্গে দেখা করা যেতে পারে। এভাবে পরস্পরের মাঝে পুনরায় ভালো লাগা ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়।</p>
<p><strong>নিজেকে ক্ষমা করা</strong></p>
<p>অনেক সময় নিজেকে ক্ষমা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। ক্ষমা করে সুখী হওয়ার এ দিবসের সম্মানে কেন নিজেকে ক্ষমা করার কিছু উপায় চেষ্টা করে দেখবেন না? অতীতের বিভিন্ন ভুলের জন্য রাগ ও বিরক্তি ত্যাগের ক্ষমতা নিজেকে মানসিক সুখ ও প্রশান্তি এনে দেয়। নিজেকে ক্ষমা করার উপায়– নিজের অনুভূতিগুলোকে সম্মান করা, নিজের কার্যকলাপ স্বীকার করা নেওয়া, নিজের প্রতি সহানুভূতির অনুশীলন করা এবং ঘটে যাওয়া ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে জীবনধারায় যথাযথ পরিবর্তন আনা যেতে পারে।</p>
<p>সূত্র : ডেইজ অব দ্য ইয়ার</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 Sep 2023 11:44:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=22649</guid>

					<description><![CDATA[প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ লিখেছিলেন, &#8216;তোমার বুকের ওড়না আমার প্রেমের জায়নামাজ।&#8217; তার এই বিখ্যাত পঙক্তির কথা আবার বলার একটিই কারণ, আজ প্রথম প্রেম দিবস। লোকে বলে প্রথম প্রেম নাকি ভোলা যায় না, এই কথা কতটা সত্য সেটা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও, এটা বলা যায়, প্রথম প্রেমের অনুভূতিই থাকে অন্যরকম। তাই যদি আপনার প্রথম প্রেমের কথা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-22650" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/124516_186.jpg" alt="" width="900" height="480" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/124516_186.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/124516_186-300x160.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/124516_186-768x410.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ লিখেছিলেন, &#8216;তোমার বুকের ওড়না আমার প্রেমের জায়নামাজ।&#8217; তার এই বিখ্যাত পঙক্তির কথা আবার বলার একটিই কারণ, আজ প্রথম প্রেম দিবস।</p>
<p>লোকে বলে প্রথম প্রেম নাকি ভোলা যায় না, এই কথা কতটা সত্য সেটা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও, এটা বলা যায়, প্রথম প্রেমের অনুভূতিই থাকে অন্যরকম। তাই যদি আপনার প্রথম প্রেমের কথা মনে থাকে, তাহলে প্রথম প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আজ একবার স্মরণ করতে পারেন।</p>
<p>তার কারণ, আজ &#8216;ফার্স্ট লাভ ডে&#8217; বা প্রথম প্রেম দিবস। অবশ্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস। কিন্তু প্রেমের কোনো সীমানা হয় না। তাই চাইলে যেকোনো দেশের মানুষ তার প্রেমকে উদযাপন করতেই পারেন।</p>
<p>দিবসটি ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম উদযাপন করা হয়েছিল। তখন থেকে দেশটিতে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে, কে বা কারা দিবসটির প্রচলন করেছিলেন তা নিয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে, এটা অনুমান করা যায়, নিশ্চয়ই নিজের প্রথম প্রেমকে স্মরণ করতেই কেউ দিবসটির প্রচলন করেছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Sep 2023 06:28:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=22618</guid>

					<description><![CDATA[কথায় আছে &#8216;সংসার সুখী হয় রমণীর গুণে&#8217;। হ্যাঁ সত্যিই তাই, একটি পরিবার আগলে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেন একজন স্ত্রী। তিনি দুই হাতে সামলে রাখেন স্বামী, সংসার, সন্তান। বিশেষ করে বাঙালি নারীদের জন্য সম্ভবত কথাটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। যেহেতু একজন স্ত্রী একটি পরিবার সামলে রাখেন, তাই তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সেজন্য আজকের দিনটি বেছে নিতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-22619" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/couple.jpg" alt="" width="900" height="505" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/couple.jpg 860w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/couple-300x168.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/couple-768x431.jpg 768w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/couple-600x337.jpg 600w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />কথায় আছে &#8216;সংসার সুখী হয় রমণীর গুণে&#8217;। হ্যাঁ সত্যিই তাই, একটি পরিবার আগলে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেন একজন স্ত্রী। তিনি দুই হাতে সামলে রাখেন স্বামী, সংসার, সন্তান। বিশেষ করে বাঙালি নারীদের জন্য সম্ভবত কথাটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য।</p>
<p>যেহেতু একজন স্ত্রী একটি পরিবার সামলে রাখেন, তাই তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সেজন্য আজকের দিনটি বেছে নিতে পারেন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন স্ত্রীর প্রতি। কারণ, আজ স্ত্রীর প্রশংসা দিবস।</p>
<p>প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রোববার যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রীর প্রশংসা দিবস উদযাপিত হয়। ২০০৬ সালে দেশটিতে প্রথম দিবসটি উদযাপিত হয়। তারপর থেকে এটি অনেক দেশে পালিত হয়ে আসছে। তবে, দিবসটি নিয়ে খুব বেশি তথ্য জানা না গেলেও মনে করা হয়, স্ত্রীর প্রশংসা দিবসটি মূলত স্ত্রীদের সম্মান জানানোর জন্য উদযাপন করা হয়।</p>
<p>আপনার বিয়ের বয়স এক বছর, দশ বছর বা ৫০ বছর- যাই হোক না কেন, অবশ্যই স্ত্রীর প্রশংসা করা উচিত। তাহলে তিনি বুঝতে পারবেন তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য কিছু পুরুষের কাছে এটি স্বাভাবিক মনে হলেও, কারো জন্য আবার খুব কঠিন হতে পারে।</p>
<p>দিবসটি উদযাপনের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, আপনার স্ত্রীর হাতে সুন্দর একটি ফুলের তোড়া তুলে দিতে পারেন। চাইলে তাকে কোনো রেস্টুরেন্টে নিয়ে খেতে পারেন। কিংবা তাকে কোনো নতুন নকশার গয়না উপহার দিতে পারেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বুড়ো বয়সে ব্যবসা শুরু তারপর বিশ্বজয়</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Sep 2023 08:53:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=22580</guid>

					<description><![CDATA[কেএফসি মালিকের জীবন কাহিনি সাফল্যের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। তার জলজ্যান্ত উদাহরণ কর্নেল হারল্যান্ড স্যান্ডার্স। বিশ্বের প্রথম বড় ফ্রাইড চিকেন ‘কেএফসি’র মালিক তিনি। জীবনের শুরু থেকে শেষ অবধি ব্যর্থতা আর গ্লানির মাঝে কাটালেও নিজের অদম্য ইচ্ছা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে দীর্ঘ ৬০ বছর বয়সে সফলতা লাভ করেন। পুরো নাম কর্নেল হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স। জন্ম ১৮৯০ সালের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-22581 aligncenter" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/07-09-2023-p5-1.jpg" alt="" width="600" height="400" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/07-09-2023-p5-1.jpg 600w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/09/07-09-2023-p5-1-300x200.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 600px) 100vw, 600px" />কেএফসি মালিকের জীবন কাহিনি</p>
<p>সাফল্যের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। তার জলজ্যান্ত উদাহরণ কর্নেল হারল্যান্ড স্যান্ডার্স। বিশ্বের প্রথম বড় ফ্রাইড চিকেন ‘কেএফসি’র মালিক তিনি। জীবনের শুরু থেকে শেষ অবধি ব্যর্থতা আর গ্লানির মাঝে কাটালেও নিজের অদম্য ইচ্ছা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে দীর্ঘ ৬০ বছর বয়সে সফলতা লাভ করেন।</p>
<p>পুরো নাম কর্নেল হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স। জন্ম ১৮৯০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের হেনরিভ্যালিতে। বাবা উইলবার ডেভিড এবং মা মার্গারেট অ্যানে স্যান্ডার্স। তিন সন্তানের মধ্যে স্যান্ডার্স সবার বড়। বাবা ছিলেন একজন কৃষক। ৮০ একর জমির ওপর নির্মিত একটি ফার্মে তিনি কৃষি কাজ করতেন। আর তাতেই সংসারটি কোনো রকমে চলে যেত স্যান্ডার্সদের। কিন্তু হঠাৎ দুর্ঘটনায় স্যান্ডার্সের জীবনের ছন্দপতন ঘটে। ১৮৯৩ সালে ফার্মে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় বাবা উইলবার ডেভিডের পা ভেঙে যায়। দুর্ঘটনার দুই বছর পর যখন স্যান্ডার্সের বয়স মাত্র পাঁচ বছর তখন বাবা উইলবার ডেভিড মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা মার্গারেট অ্যানে ১৯০২ সালে আবার বিয়ে করেন। সৎ বাবার পরিবার ভালো লাগত না স্যান্ডার্সের। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর স্যান্ডার্স ও তাদের পরিবার ইন্ডিয়ানার গ্রিনউডে চলে আসেন।</p>
<p>দরিদ্র পরিবারের সন্তান বলে অর্থাভাবে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ঘর ছাড়েন। স্কুল থেকে ঝরে পড়েন তারও আগে। শুরু করেন খামারে কৃষকের কাজ। কিন্তু কিশোর বয়সে স্যান্ডার্সের কৃষি কাজ ভালো লাগত না। এরপর ইন্ডিয়ানা পুলিশের ঘোড়ার গাড়ি রং করার চাকরি নেন। এটাও ছেড়ে ১৪ বছর বয়সে আবারও খামারে খেতমজুরের কাজ শুরু করেন। এরপর ১৯০৬ সালে ইন্ডিয়ানার নিউ আলবানিতে গাড়ির কন্ডাক্টরের চাকরি করেন। মাত্র বছরখানেক করেছিলেন সেই চাকরি। এরপর কামারশালায় লোহা পেটানোর কাজ নেন। কিন্তু এখানেও মন টিকে না স্যান্ডার্সের। এবার কয়লাচালিত ট্রেনের ছাইয়ের টাংকি পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। ১৬ বছর বয়সে কাজ পান স্টেশনের ফায়ারম্যানের। এক সময় নর্থফোক ও ওয়েস্টার্ন রেলস্টেশনে দিনমজুরের কাজও করেন। কর্নেল স্যান্ডার্স এক জায়গায় বেশি দিন কাজ করতে পারতেন না। দুই বছর পর আবার তিনি ফিরে যান ইলিনয় সেন্ট্রাল রেলরোডে। শুরু করেন ফায়ারম্যানের কাজ। ১৭ বছরের মাথায় মোট চারবার চাকরি হারিয়েছিলেন স্যান্ডার্স। এরপর এক্সটেনশন ইউনিভার্সিটিতে আইন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে লিটল রক নামের প্রতিষ্ঠানে বছর তিনেক প্রশিক্ষণ শেষে অর্থ উপার্জন শুরু করেন। এখানেও তার বাধার শেষ ছিল না। মাথা গরম প্রকৃতির স্যান্ডার্স ক্লায়েন্টের সঙ্গে আদালত পাড়ায় ঝগড়া করেই আইন পেশার সমাপ্তি ঘটান। অর্থাভাবে কিছু দিন পর নিজে আইন পেশাকে বিদায় জানান। সেখান থেকে ফিরে পেনসিলভানিয়ায় চাকরি নেন রেলস্টেশনে। এখানেও খুব বেশি দিন না থেকে ১৯১৬ সালের দিকে পরিবার নিয়ে জেফারসনভাইলে চলে আসেন এবং বীমা কোম্পানিতে চাকরি শুরু করেন। স্যান্ডার্স কোথাও স্থায়ী হতে পারতেন না। কারণ, তিনি ছিলেন রাগী প্রকৃতির। তাই বীমার চাকরি হারিয়ে সেলসম্যানের কাজ করেন। করেছেন স্টোর ক্লার্কের কাজও।</p>
<p>১৯১৮ সালে ১৮ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এবং ১৯ বছর বয়সেই বাবা হন। কিন্তু ২০ বছর বয়সে তার স্ত্রী তাকে ফেলে রেখে কন্যাসন্তানটিকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান। ১৯২০ সালে তিনি নৌকার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। স্যান্ডার্স এখানে ডিঙি নৌকা তৈরি করে তা বিক্রি করতেন। এক সময় কোম্পানির ভবিষ্যৎ আরও বড় পরিসরে করার জন্য কোম্পানির নামে শেয়ারও চালু করেন। যার বেশির ভাগ মালিক ছিলেন স্যান্ডার্স নিজেই এবং পরবর্তীতে স্যান্ডার্স নিজেই কোম্পানির সচিব নির্বাচিত হন। এটাই ছিল ক্যারিয়ারের প্রথম সফলতা। ১৯২২ সালে ইন্ডিয়ানার কলম্বাসে চেম্বার অব কমার্স নামের একটি কোম্পানিতে সচিবের চাকরি নেন। সেই চাকরিটিও ভালো না লাগায় এক সময় চাকরি ছেড়ে দেন। শুধু তাই নয়, তার ডিঙি নৌকার কোম্পানিটিও ৩২ হাজার ডলারে বিক্রি করে দেন। যার বর্তমান বাজারমূল্য ৩ লাখ ৯ হাজার ডলার। সেই অর্থ দিয়ে হাইড্রোকার্বন গ্যাসের বাতি উৎপাদনকারী কোম্পানি চালু করেন। তার বৈদ্যুতিক বাতির কোম্পানিটিও বেশি দিন টিকেনি। কলোনিল স্যান্ডার্স বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবসায় ক্ষতির সম্মুখীন হন।</p>
<p>নানা ব্যর্থতার বেড়াজাল পেরিয়ে স্যান্ডার্স কেন্টাকির উইনচেস্টারে চলে আসেন। সেখানে তিনি ম্যাচিলিন নামের একটি টায়ার কোম্পানিতে সেলসম্যানের চাকরি নেন। ১৯২৪ সালে কোম্পানিটি বন্ধ হলে নিকোলাসভ্যালির এক স্টেশনে চাকরি নেন এবং অদ্ভুত ব্যাপার হলো ১৯৩০ সালে স্টেশনটিও বন্ধ হয়ে যায়। একই বছরে ক্যান্টাকির নর্থ ক্যারোলাইনা এলাকায় শেল অয়েল কোম্পানি তাকে স্টেশনের কর্মীদের জন্য খাবার সার্ভিসের প্রস্তাব করে। সেখানে তাকে কোনো জায়গা ভাড়া দিতে হতো না। বিনিময়ে বিক্রি করা খাবারের লভ্যাংশের সামান্য অংশ দিলেই যথেষ্ট। সেখানে ফ্রাইড চিকেনসহ বিভিন্ন ফাস্টফুড সার্ভিস দিতেন স্যান্ডার্স। স্যান্ডার্সের খাবারের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে ক্যান্টাকির অলি-গলিতে। ১৯৩৯ সালে নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাশেভ্যালিতে মোটেল নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও এখানেও বাধা পান। তবুও স্যান্ডার্স পিছপা হননি। ১৯৪০ সালে ১৪০ আসনের রেস্টুরেন্ট খুলে স্পেশাল ফ্রাইড চিকেন বিক্রি শুরু করেন। নতুন স্বাদের চিকেন জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ১৯৫২ সালে স্যান্ডার্স ‘চিকেন ফ্রাই’ ধারণাটিকে আয়ের উৎসে পরিণত করার পর থেকে ‘ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন’ বিশ্বের প্রথম বড় ফ্রাইড চিকেন কোম্পানি হয়ে ওঠে। প্রাচীন রেস্তোরাঁটিই আজকের ‘কেএফসি’। যার রয়েছে ৬০০টি শাখা। ১৯৭০ সালে স্যান্ডার্স আমেরিকান কোম্পানির কাছে রেস্তোরাঁটি ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি করেন। ১৯৮০ সালে ৯০ বছর বয়সে জীবনে ব্যর্থতার পর সফলতা নিয়ে স্যান্ডার্স পরলোকগমন করেন।</p>
<p>ফ্রাইড চিকেন দিয়ে শুরু</p>
<p>১৯৩০ সালে স্যান্ডার্স ক্যান্টাকিতে গ্যাস স্টেশনের ভিতরে খাবারের ব্যবসা শুরু করেন। জরাজীর্ণ রুমে সামান্য টেবিলই ছিল সম্বল। স্টেশনের ট্রাক ড্রাইভারদের জন্য স্যান্ডার্স দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করতেন। ফ্রাইড চিকেনই একমাত্র খাবারের আইটেম ছিল, যা তৈরি করতে অনেক সময় লাগত। এর বাইরেও তার তৈরি হ্যাম ও স্টিক ডিনার ছিল বেশ জনপ্রিয়। স্যান্ডার্স রেস্তোরাঁ খুলে চিকেন ফ্রাই ও আয়রন স্কিলেট বিক্রি করতেন। সময়ের তালে তালে ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই রেস্তোরাঁটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে আবারও ব্যবসা শুরু করেন। স্টেশনের ড্রাইভার ছাড়াও স্যান্ডার্স বাইরে অর্ডারে চিকেন ফ্রাইড সরবরাহ করতেন। এবারও ভাগ্য পাশে ছিল না। ১৯৩৯ সালে স্যান্ডার্স নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাশেভ্যালিতে মোটেল খোলেন। মোটেল ব্যবসায়ে আগুন লেগে বন্ধ হয়ে যায়। আবারও গ্যাস স্টেশনে ট্রাক ড্রাইভারদের খাবারের ব্যবসা শুরু করেন স্যান্ডার্স। এবার ১৪০ আসনের রেস্তোরাঁ নেন এবং ১৯৪০ সালের জুলাইয়ে তার রেস্টুরেন্টে স্পেশাল ফ্রাইড চিকেন বিক্রি শুরু করেন। নতুন স্বাদের চিকেন ফ্রাই জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ‘ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন’ বিশ্বের প্রথম বড় পরিসরের ফ্রাইড চিকেন কোম্পানি। প্রাচীন এ রেস্তোরাঁটিই আজকের জনপ্রিয় ‘কেএফসি’। ১৯৫৫ সাল থেকে মাত্র দশ বছরে এর শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে যায় সমগ্র বিশ্বে। এখন কেএফসির ৬০০টির বেশি শাখা কিন্তু শুরুটা হয়েছিল সামান্য একটি গ্যাস স্টেশন থেকেই।</p>
<p>মিলিটারি কর্নেল নন!</p>
<p>ক্যান্টাকির বাসিন্দা না হলে এমন ভুল করাটাই স্বাভাবিক। যেমন অনেকেই মনে করেন কর্নেল স্যান্ডার্স নিশ্চয় কোনো এক সময় মিলিটারি দলের কর্তা ছিলেন। আসল ঘটনাটি হলো ক্যান্টাকির সাধারণ মানুষ তো বটেই, বড় বড় আমলা স্যান্ডার্সকে সম্মান দিয়ে কর্নেল বলে সম্বোধন করতেন। আর স্যান্ডার্স নিজেকে গড়ে তোলার জন্য এই নামটি ব্যবহার করতেন। কিন্তু এ নামটির পেছনেও রয়েছে একটি ইতিহাস। স্যান্ডার্স জীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে সফল হন। ‘কর্নেল’ উপাধি পান ১৯৩৫ সালে, যখন গ্যাস স্টেশনের ভিতরের জরাজীর্ণ রুমে ‘স্যান্ডার্স ক্যাফে’ খুলে খাবারের ব্যবসা করেন। কিন্তু ১৯৪৯ সালে স্যান্ডার্স সনদপত্র আকারে কর্নেল খেতাব গ্রহণ করেন। এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন ক্যান্টাকির তৎকালীন গভর্নর। ১৯৫০ সালে স্যান্ডার্স নিজেকে সবার সামনে সভ্য এবং ক্যান্টাকির কর্নেল হিসেবে উপস্থাপন করা শুরু করলেন। সাদা দাড়ি, স্ট্রিং টাই এবং সাদা ওয়েস্ট কোটে নিজেকে অনন্য মানুষ হিসেবে সবার সামনে উপস্থাপন করতেন স্যান্ডার্স। আর ব্যবসায়ের সফলতা সারা বিশ্বে এর ব্যাপ্তির কারণে কর্নেল নামটি সবার মুখে মুখে, যা স্যান্ডার্সকে শেষ বয়সে করেছে সম্মানিত। মুরগির স্বাদ বদলে দেওয়া স্যান্ডার্স ১৯৫০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নিজের রেসিপি বিক্রি করার মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেন। তার ব্যবসা ও নতুন স্বাদের খাবারে বিমোহিত হয়ে ক্যান্টাকির সাধারণ মানুষ তাকে কর্নেল বলে সম্বোধন করতেন।</p>
<p>মাসে ১০৫ ডলারের বিনিময়ে প্রথম ফ্রাঞ্চাইজি</p>
<p>স্যান্ডার্স নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পরও আশাহত হননি। ১৯৫২ সালে ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেনের শুরু করেছিলেন শুধু ফ্রাইড চিকেন দিয়ে। পরবর্তীতে এর সঙ্গে যুক্ত করেন ফাস্টফুড খাবারের আইটেম। তখন কেএফসির প্রথম ফ্রাঞ্চাইজি হয়েছিলেন স্যান্ডার্সের বন্ধু পিট হারমান। পিট হারমান উতাহে বিশাল রেস্টুরেন্টের ব্যবসা করতেন। বন্ধু পিট স্যান্ডার্সের কেএফসির স্বাদের ভূয়সী প্রশংসায় উৎসাহিত হয়ে সল্টলেক সিটিতে নতুন শাখা চালু করেন। পিট হারমানই হলেন কেএফসির প্রথম ফাঞ্চাইজ আর উতাহেই কেএফসির প্রথম চেইন শপ চালু হয়েছিল। জোশ ওজারস্কির মতে, ‘স্যান্ডার্স স্টেশনের পাশে রেস্তোরাঁয় দারুণ ব্যবসা করেন। এক সময় ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য নতুন ব্রাঞ্চ খোলার জন্য বন্ধু পিটকে সঙ্গে নেন। পিট মোনিকাকে সঙ্গে নিয়ে ক্যান্টাকি আসেন। তখন কেএফসির খাবার পরিবেশনের বালতি আকারের বাক্সটি দেখতে অন্যরকম লাগত। স্যান্ডার্সের কেএফসির সঙ্গে পিট হারমান মাসে ১০৫ ডলারের বিনিময়ে ফ্রাঞ্চাইজ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে এই ছোট্ট রেস্তোরাঁটি ১৯৪২টি নতুন ফ্রাঞ্চাইজের মাধ্যমে ছড়িয়ে যায় দেশ-দেশান্তরে। বর্তমানে ৬০০টি শাখা রয়েছে কেএফসির।</p>
<p>মাথা গরম স্যান্ডার্সের কান্ড</p>
<p>স্যান্ডার্স জীবনের শুরু থেকে হোঁচট খেয়ে খেয়ে বাস্তবতা শেখেন। নানা বাধা-বিপত্তি সামলে এগিয়ে চলেন গন্তব্যের দিকে। কিন্তু স্যান্ডার্স নিজে একটু রগচটা ও মাথা গরম প্রকৃতির ছিলেন। তাই হয়তো কখনোই ঝামেলা থেকে পরিত্রাণ পাননি বা বার বার ঝামেলাই এসে জুটত তার কাছে। এর প্রমাণ মেলে তার শেল তেল গ্যাস স্টেশন ‘হেলস হাফ একর’ ঘরটিতে ঘুরপাক খাওয়া ঘটনা। স্যান্ডার্স নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রকার উদ্বিগ্ন। নিজ ব্যবসাকে কীভাবে বড় পরিসরে আনা যায় তা নিয়ে হরহামেশাই চিন্তা করতেন। তার বিশালাকার ফাস্টফুডের ব্যাপক প্রচারণার চুক্তি স্বাক্ষরের সময় তার দিকে ছুড়ে দেওয়া হলো একটি আক্রমণাত্মক মার্কেটিং কৌশল। এই কৌশলের পরিচালনা করেন শেল অয়েল গ্যাস স্টেশনের কাছাকাছি একটি স্ট্যান্ডার্ড অয়েল গ্যাস স্টেশনের পরিচালক ম্যাট স্টুয়ার্ট। স্যান্ডার্সকে সেই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ‘স্টুয়ার্ট স্যান্ডার্সের ব্যবসায়ে প্রচারণা ব্যর্থ করতে জালিয়াতির পথ বেছে নেয়। বিষয়টি স্যান্ডার্স অবগত হওয়ার পর স্টুয়ার্টের ওপর চড়াও হন। জোশ অজারস্কির লেখা ‘কর্নেল স্যান্ডার্স অ্যান্ড দ্য আমেরিকান ড্রিম’ বই থেকে পাওয়া যায় একটি হত্যার ঘটনা। স্যান্ডার্সের সুনাম স্টুয়ার্ট নষ্ট করতে না পেরে স্টুয়ার্ট শেল গ্যাস স্টেশনের ম্যানেজার রবার্ট গিবসনকে গুলি করে মারাত্মক জখমে হত্যা করে। পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে আটক করে এবং এ কারণে স্টুয়ার্টকে ১৮ বছর জেলে থাকতে হয়। কিন্তু স্টুয়ার্ট আটক হওয়ার পরও স্যান্ডার্সকে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।’</p>
<p>কর্নেলের অভিশাপ!</p>
<p>৫০ বছর ধরে বেসবল খেলায় ব্যর্থ হয়ে আসছিল হ্যানসিন টাইগারদের বোস্টন রেড সক্স। এর খরা কাটে ২০০৪ সালে। ঘটনাটি সত্যিই আশ্চর্যজনক ছিল! ১৯৮৫ সালে হ্যানসিন টাইগাররা ইতিহাসে প্রথম জাপান সিরিজ জয় করেছিল। হ্যানসিন টাইগাররা জাপানের বেসবল দল ওসাকাকে হারিয়ে এই সিরিজ জিতে। খেলা শেষে বাধে বিপত্তি। ওসাকার সমর্থকরা তখন দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ে। সমর্থকরা পাশের ফুড মাসকটের বাইরে অবস্থিত কেএফসি শপে স্যান্ডার্সের মূর্তিকে দোষারোপ করে। তাদের ধারণা স্যান্ডার্সের অভিশাপে ওসাকার হার হয়। বিদ্রƒপকারীরা শপের ভিতর থেকে স্যান্ডার্সের মূর্তি ওসাকার ডোন্টোবোরি নদীর ইবিসুর সেতুতে জড়ো হয় এবং তাদের খেলোয়াড়ের সম্মানে মূর্তিগুলো নদীতে ফেলে দেয়। কর্নেলের অভিশাপকে তারা তাদের দীর্ঘ সময়ের ঐতিহ্য হারানোর মূল কারণ বলে আখ্যায়িত করে। মূর্তিগুলো উদ্ধার না করা পর্যন্ত দল জিতবে না বলেও কিছু কিছু ভক্ত কুসংস্কার ছড়াতে থাকে। এ ঘটনার আগের বছর ২০০৩ এবং পরের বছর ২০০৫ সালে দলটি সিরিজ হেরে যায়। ২০০৯ সালে ডোন্টোবোরি নদী থেকে কর্নেল স্যান্ডার্সের মূর্তিটি উদ্ধার করা হলেও ২০১৪ সালের হার আসলে কিসের ইঙ্গিত করে!</p>
<p>বিক্রির পরেও ১২২ মিলিয়ন ডলারের মামলা</p>
<p>কর্নেল স্যান্ডার্স ১৯৬৪ সালে ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন বিক্রি করতেন। কিন্তু বিক্রি না করে পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের দিকে মার্কিন এক কোম্পানির কাছে ২ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে ক্যান্টাকির কর্নেল ‘কেএফসি’ ও তার মালিকদের ‘শ্বাসরুদ্ধকারী গোষ্ঠী’ হিসেবে উপহাস করতে শুরু করে। কিন্তু কিছুকাল আগেও এই ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেনের সুনাম ছিল মানুষের মুখে মুখে। তবে তখনো কোম্পানির একজন সাধারণ গ্রাহক হিসেবে স্যান্ডার্স ‘কেএফসি’র খাবার অপছন্দ করতেন। তার কষ্টের শেষ ছিল না। কারণ এই কোম্পানিটি গড়ে তুলতে এবং এর উন্নতি সাধনে তিনি অনেক ভূমিকা রেখেছিলেন। ‘দ্য কর্নেল লেডি ডিনার হাউস’ নামের রেস্টুরেন্টটি উদ্বোধন করেন তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। এই রেস্টুরেন্ট অবশ্য বাজারে আসে ‘কেএফসি’র সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই। তবে এ পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়ান সে সময়ের ‘কেএফসি’র মুখপাত্র হিউবিলেন। তখন স্যান্ডার্স ১২২ মিলিয়ন দাবি করে একটি মামলা ঠুঁকে দেন। যদিও পরবর্তীতে এর মীমাংসা হয় মাত্র এক মিলিয়ন ক্ষতিপূরণ সাপেক্ষে। বিশাল এই সুনামের অক্ষুণ্ণতার জন্য এ অর্থদন্ড ছিল নিতান্তই কম। তবে শর্ত ছিল ‘কেএফসি’র কিচেনে স্যান্ডার্স রান্না করার সুবিধা করে দেওয়া। ফলে স্যান্ডার্সও ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেনের বিরুদ্ধে প্রচারণাও বন্ধ করে দেন। এরপর খোলা হয় ক্লাউডিয়া স্যান্ডার্স ডাইনিং হাউস। সেই হাউস এখনো আমেরিকার ভোজনরসিকদের সুস্বাদু হরেক রকমের খাবার পরিবেশন করে যাচ্ছে সুনামের সঙ্গে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আন্তর্জাতিক আতঙ্ক দিবস আজ</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%86/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%86/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jun 2023 11:12:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=21272</guid>

					<description><![CDATA[আজ আন্তর্জাতিক প্যানিক বা আতঙ্ক দিবস আজ। প্রতিবছর ১৮ জুন পালিত হয় দিবসটি। এদিন কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার নয় বরং ভয় ও আতঙ্ক দূর করার। শান্ত থাকার চেষ্টা করতে এবং উদ্বেগ থেকে মুক্তি পেতে শেখার জন্য এই দিনটি পালিত হয় । এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হলো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া। এটি এক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-21273" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/06/302579370_189758356759002_7506181159503613750_n.jpg" alt="" width="900" height="480" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/06/302579370_189758356759002_7506181159503613750_n.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/06/302579370_189758356759002_7506181159503613750_n-300x160.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/06/302579370_189758356759002_7506181159503613750_n-768x410.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />আজ আন্তর্জাতিক প্যানিক বা আতঙ্ক দিবস আজ। প্রতিবছর ১৮ জুন পালিত হয় দিবসটি। এদিন কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার নয় বরং ভয় ও আতঙ্ক দূর করার। শান্ত থাকার চেষ্টা করতে এবং উদ্বেগ থেকে মুক্তি পেতে শেখার জন্য এই দিনটি পালিত হয় ।</p>
<p>এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হলো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া। এটি এক ধরনের উপহাসের দিবস হিসেবে পালন শুরু হয় অতীতে। শান্ত থাকা ও মানসিক চাপ দূর করার দিন এটি।</p>
<p>আতঙ্ক একটি গুরুতর বিষয়। প্যানিক ডিসঅর্ডার একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যা কিছু দেশে ২ শতাংশ জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে। গবেষণার মতে, পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি আতঙ্কে ভোগেন। খবর- ন্যাশনাল টুডে ‘র।</p>
<p>আন্তর্জাতিক আতঙ্ক দিবসের মূল লক্ষ্য হলো মানসিক অসুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো ও বিশ্বব্যাপী তা ছড়িয়ে দেওয়া। বর্তমান বিশ্বের মানুষ মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। যার প্রভাব পড়ছে পরিবারে, কর্মস্থানে এমনকি সমাজেও।</p>
<p>তাই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আতঙ্ক ও উদ্বেগ কমাতে সবারই সচেতন থাকতে হবে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা করালেও মনের অসুখ সারাতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে লজ্জা পান।</p>
<p>তবে আপনি যদি কোনো কারণে আতঙ্কগ্রস্ত হন তাহলে ভয় কাটাতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যে কাজগুলো আপনার মানসিক চাপ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন।</p>
<p>১৮৪৯ সালে মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসার ইতিহাসে প্রথম উদ্বেগ আক্রমণের কথা অটোমার ডমরিচের রিপোর্ট করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে ফ্রয়েড মনোবিশ্লেষণের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগ নিউরোসিসের ধারণার উপর একটি গবেষণাপত্র লিখেছেন।</p>
<p>১৯৮০ সালে প্যানিক ডিসঅর্ডারের ধারণাটি ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল (ডিএসএম) মানদণ্ডের বিকাশ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%86/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস : প্রতি ২ ঘণ্টায় মারা যাচ্ছেন একজন প্রসূতি</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 May 2023 05:42:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=20914</guid>

					<description><![CDATA[আজ রবিবার (২৮ মে) নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই প্রতি বছর ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘গর্ভকালে চারবার সেবা গ্রহণ করি; নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-20915" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/05/1648732277_child-1.jpg" alt="" width="900" height="480" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/05/1648732277_child-1.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/05/1648732277_child-1-300x160.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2023/05/1648732277_child-1-768x410.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />আজ রবিবার (২৮ মে) নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই প্রতি বছর ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘গর্ভকালে চারবার সেবা গ্রহণ করি; নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করি’।</p>
<p>গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন জটিলতার কারণে বিশ্বে প্রতিদিন ৮৩০ নারীর মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৯৯ শতাংশের মৃত্যু ঘটে উন্নয়নশীল দেশে। ১৯৮৭ সালে কেনিয়ায় নাইরোবি কনফারেন্স এই নিরাপদ মাতৃত্বের ঘোষণা করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ২০০০ সালের দিকে ৫০ শতাংশ মাতৃমৃত্যু কমানো।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দেন। ১৯৯৮ সাল থেকে দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয়। ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে। নিরাপদ মাতৃত্বের কার্যক্রম পরিচালনা করে সরকার, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন। এসব কার্যক্রমে ২০০০-২০১৭ পর্যন্ত মাতৃমৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ কমে। আমাদের দেশে প্রতি ১ লাখ প্রসবের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার ১৬৫ জন। ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়নে এ সংখ্যা ৭০ জনে কমিয়ে আনতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঐতিহ্যে ঘেরা শেরপুরের ‘রং ও শীষ মহল’</title>
		<link>https://www.angortv.com/%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://www.angortv.com/%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Munirul Huq Khan]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Mar 2021 15:15:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[শেরপুর]]></category>
		<category><![CDATA[ঐতিহ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জমিদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.angortv.com/?p=10029</guid>

					<description><![CDATA[প্রথমাংশে জমিদারদের খাস দরবার কক্ষ ও জলসা ঘর। দ্বিতীয়াংশে জমিদারদের খাস কামরা। তৃতীয়াংশ নায়েব-ম্যানেজারের কাচারি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যখচিত সবগুলো ভবন। উত্তর-দক্ষিণে প্রলম্বিত রং মহলের তিন অংশ। রং মহলের প্রবেশ পথের দরজা দুটি। ডানদিকের দরজা বরাবর টানা লম্বা করিডোর। করিডোর ও ভিতরের অর্ধেক দেয়াল জুড়ে বিরাজ করছে রঙিন চিনাপাথরের ফ্রেসকো ও ফুল লতাপাতার আঁকা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-10030 size-full" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture.jpg" alt="" width="900" height="630" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-300x210.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-768x538.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />প্রথমাংশে জমিদারদের খাস দরবার কক্ষ ও জলসা ঘর। দ্বিতীয়াংশে জমিদারদের খাস কামরা। তৃতীয়াংশ নায়েব-ম্যানেজারের কাচারি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যখচিত সবগুলো ভবন। উত্তর-দক্ষিণে প্রলম্বিত রং মহলের তিন অংশ। রং মহলের প্রবেশ পথের দরজা দুটি। ডানদিকের দরজা বরাবর টানা লম্বা করিডোর। করিডোর ও ভিতরের অর্ধেক দেয়াল জুড়ে বিরাজ করছে রঙিন চিনাপাথরের ফ্রেসকো ও ফুল লতাপাতার আঁকা টালি বসানো।</p>
<p>শুধু তাই নয় পাকা বৈঠকখানা, শান বাঁধানো ঘাট, মাঠ ও মন্দির। কবির ভাষায়’ আজি হতে শতবর্ষ পরে কে মোর কবিতাখানি-র মতো শতবর্ষ পরও সেগুলোর ঔজ্জ্বল্য আজও চির যৌবন, চির উজ্জল। ঐতিহ্যের রং মহল ও শীষ মহলের মালিক ছিলেন জমিদার সত্যেন্দ্র মোহন চৌধুরী ও জ্ঞানেন্দ্র মোহন চৌধুরী।</p>
<p>শেরপুরের স্থানীয় বিভিন্ন বই ও প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানা যায়, জমিদার বাড়ির ঠিক দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত রং মহল। চমৎকার বাড়িটি দেখলেই বোঝা যায় জমিদার কেমন সংস্কৃতি প্রিয় ছিলেন। নাচ-গানসহ অন্যান্য সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এখানেই হত। রং মহলের ডানদিক ঘেঁষে শান বাঁধানো পুুকুর। জলে জলসা ঘর প্রতিবিম্বিত হয়। সেই আমলে রং মহলের দীর্ঘ করিডোর ধরে প্রতিটি কক্ষে ঢোকার দরজার পাশে ছিল পিতল ও পাথরের নানা ধরনের মূর্তি আর বিরাট আকারের ফুলদানি। শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপত্য নির্দশন তিনআনী জমিদারদের রং মহল এটি। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে পোঁনে তিনআনী জমিদার কিশোরী মোহন চেীধুরীর আমলে রং মহল, শীষ মহলসহ নানা সৌধ নির্মাণ করা হয়।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-10031 size-full" src="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-1.jpg" alt="" width="900" height="675" srcset="https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-1.jpg 900w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-1-300x225.jpg 300w, https://www.angortv.com/wp-content/uploads/2021/03/Sherpur-Rong-Mohol-Picture-1-768x576.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 900px) 100vw, 900px" />শেরপুরের জমিদারদের মধ্যে পৌনে তিন আনী জমিদার পরিবার শিক্ষিত ও সংস্কৃতিমনা ছিলেন। ছিল তাদের জয় কিশোর লাইব্রেরি ভবন। কূল দেবতা অন্নপূর্ণা-গোপীনাথের অপরুপ সুন্দর মন্দির। যার মাঝে রয়েছে প্রাচ্য, পাশ্চাত্য ও মুসলিম স্থাপত্যরীতির অপূর্ব সুসমন্বয়। লাইব্রেরিতে ছিল পাঁচ সহস্রাধিক বই। অধিকাংশই বিজ্ঞান বিষয়ক। এখন আর আগের মতো কিছুই নেই। এখন নেই বিচারালয়ের ঘন্টাধ্বণী, জলসা ঘরের গমগম লহরী, পায়েলের জমজম সুর ঝংকার, নূপুরের নিক্কন, মায়াবী অট্টহাসির ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। সন্ধ্যার ঝলমলে আলোক সজ্জায় উলুধ্বনিতে যে বাড়ী এক সময় মুখরিত হতো, সেই বাড়ীতে ভুল করেও কেউ উলুধ্বনি দেয়না। কেউ আলো জ্বালায় না। বাজেনা সন্ধ্যা পূঁজার ঘন্টাধ্বনি। নেই সাধারণ কৃষক প্রজার খবর নেবার তাড়না। ছুটে আসে না নাজির। ফরমান জারি করেন না এখন। এখন শুধু দাঁড়িয়ে আছে কিছু স্তম্ভ। তবুও নড়বড়ে।</p>
<p>পরের আধুনিক ইতিহাসে জমিদার বাড়িটিকে কৃষি প্রশিক্ষাণালয়ে রুপান্তরিত করা হলে লাইব্রেরি ভবনটি ভেঙে সেখানে টিনশেডের শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ করা হয়। রং মহলটি এক সময় কৃষি প্রশিক্ষাণালয়ের প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহার হলেও এখন তা আর ব্যবহার হচ্ছে না। কেননা জমিদারি বিলাসিতার রং মহলের দিন ফুরিয়ে গেছে। তবে ভবনটি এতোই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে যে, সামান্য বৃষ্টিতেই এর ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে। স্থানে স্থানে সুরকির গাঁথুনি নড়বড়ে। পলেস্তা খুলে পড়ে যখন তখন। কালের বিবর্তনে জমিদারদের এসব প্রাচীন ভাস্কর্যশিল্পের অনন্য নির্দশন ধ্বংসের মুখোমুখি অবস্থায় কালের সাক্ষী হয়ে আজও পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে।</p>
<p>সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারপাশে গাইড ওয়াল করা। ভিতরে রং মহল। কিন্তু গাইড ওয়ালের পরই ময়লা আর্বজনা ও গাছের লতাপাতা দেখে মনে হবে যে এটি একটি জঙ্গল। নেই পরিস্কার করার লোক। অথচ ৬থেকে ৭বছর আগেও এই রং মহল ভবনে অধ্যক্ষ ও অন্যান্য বিভাগের অফিস কক্ষ ছিল। কিন্তু ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ায় এবং নতুন প্রশাসনিক ভবন তৈরী হওয়ায় ‘রং মহল ও শীষ মহল’ ভবন থেকে সকল অফিস স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে রং মহলটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।</p>
<p>জনউদ্যোগের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, শেরপুরের এসব ঐতিহ্যগুলো রক্ষা করা আমাদের খুবই দরকার। কেননা আমাদের প্রাচীণ ইতিহাস সমৃদ্ধ স্থাপনাগুলো রক্ষা না করতে পারলে অচিরেই হারিয়ে যাবে। আমি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে অনুরোধ জানাই।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.angortv.com/%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
