1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের সংক্রমিত রোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন বিকাশের শীর্ষস্থানীয় অধ্যাপক। ভ্যাকসিনোলজির অধ্যাপক সারা গিলবার্ট ইনডিপেনডেন্টকে জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ঘনত্ব, ভ্রমণ এবং বনাঞ্চল বর্ধনের ফলে জীব জন্তু থেকে রোগ ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে গেছে, ।

করোনার উৎপত্তি ঠিক কোথা থেকে আসল তা এখনো প্রমাণ করতে পারেনি গবেষকরা, তবে বেশিরভাগের ধারণা এটি বাদুড় থেকে অন্য প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের শরীরে পৌঁছেছিল। এছাড়া বিজ্ঞানীদের ধারণা ইবোলাও প্রাণীর শরীর থেকে মানুষের শরীরে আসছে।

চলতি বছরের জুনে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে চীনে সোয়াইন ফ্লুর একটি নতুন মাত্রা ধারণ করেছে যা মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেসের প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে গবেষকরা লিখেছিলেন শূকর থেকে এই মহামারী হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে প্রতি বছর জীব জন্তু থেকে সংক্রমিত রোগের কারণে লক্ষ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। বছরে সংক্রমিত রোগের শতকরা ৬০ ভাগ জীব জন্তু থেকে হচ্ছে।

অধ্যাপক গিলবার্ট বলেছিলেন, পৃথিবী আরও বিশ্বায়িত হওয়ার সাথে সাথে প্রাণী থেকে সংক্রমিত রোগের ঝুঁকি আরও বাড়তে থাকবে। অধ্যাপক গিলবার্ট, যার কাজ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বজনীন ফ্লু ভ্যাকসিনের গবেষণা করা বলেছিলেন যে ২০১৭ -২০১৮ সালের মত অন্য একটি ফ্লু মহামারী আকারে দেখা দেবে।

গিলবার্ট বলেন,প্রতি শতাব্দীতে মহামারী দেখা গিয়েছিল এবং সেখানে প্রচুর আলাদা ফ্লু ভাইরাস রয়েছে আর এই কারণে আমরা কখনও ফ্লু নির্মূল করতে পারি না। তিনি বলেন, আমরা পক্সকে নির্মুল করেছি,সেই সাথে আমরা পোলিও নির্মুলের অনেক কাছাকাছি চলে এসেছি, আফ্রিকাতে এখন কোন পোলিও নেই। হমের মত যে রোগ ছিলো তাও নির্মুল হচ্ছে যদিও এর সাথে প্রাণীর কোন সম্পর্ক নেই।

তবে ফ্লু প্রচুর পরিমাণে পাখির মধ্যে রয়েছে এবং এ থেকে সংক্রামক রোগের সম্ভাবনা এখনো প্রবল।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি