1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

ময়মনসিংহে কবর থেকে ছেলের লাশ ওঠানোর সময় মায়ের আহাজারিতে কাঁদল সবাই

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় সাজ্জাত নামে সাত বছরের এক শিশুর মৃত্যুর সাড়ে চার মাস পর কবর থেকে লাশ তোলা হয়েছে। এ সময় নিহত শিশুর মায়ের কান্নায় হৃদয়-বিদারক এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর লক্ষ্মীপুর গ্রামের চর লক্ষ্মীপুর কাছিমুল উলুম মাদরাসার গোরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে সাজ্জাতের লাশ তোলা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর আবুল কাশেম ও পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই ইন্সপেক্টর আবুল কাশেম বলেন, নিহত শিশুর মা আনোয়ারা বেগম ময়মনসিংহ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি পিবিআইয়ে হস্তান্তর করেন। একইসঙ্গে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর লাশ উত্তোলনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ দেন। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পর আজ কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লাশ ময়নাতদন্ত করে করে আবারও দাফনের ব্যবস্থা করা হবে এবং এর সুষ্ঠু বিচার যেন শিশুর পরিবার পায় তার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশেই লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নিহত শিশুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, ১ অক্টোবর সাজ্জাতের এপেন্ডিসাইডের ব্যথা উঠলে নগরীর চরপাড়ার ব্রাহ্মপল্লী এলাকার রেজিয়া ক্লিনিকে ভর্তি করান। ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান তার ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার জন্য বলেন।

ভর্তির পর ওই রাতেই অপারেশন করতে হবে বলে জানান ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান ও তার স্ত্রী পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন। পরে অপারেশন করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জন ডিসি বর্মণ ও অজ্ঞানের ডাক্তার টিকে সাহা এবং ডাক্তার প্রীতি রঞ্জন রায়।

আনোয়ার বেগম আরও বলেন, তাড়াহুড়া করে অপারেশন করে ডাক্তাররা চলে গেলে ছেলের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তখন ক্লিনিকের লোকজনের সহযোগিতা চাইলে কেউ তাদের সহযোগিতা করেনি। ছেলের খারাপ অবস্থার জন্য তারা কোনো দায়ভার নেবে না বলে ভোরে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্লিনিক থেকে বের করে দেয়। পরদিন সকালে ২ অক্টোবর সাজ্জাতকে কোলে করে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি করলে মামলাসহ বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকি দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। দুই ছেলে নিয়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে তার সংসার চলত। অপারেশনের টাকাও ঋণ করে দিয়েছিলেন। ছেলে মারা গেলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের সহযোগিতা বা সান্ত্বনা দেয়নি।

বিচার দাবি করে আনোয়ারা বলেন, রেজিয়া ক্লিনিকের চিকিৎসকরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।

নিহত শিশু সাজ্জাত সদর উপজেলার ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি