1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন

ডেভিড ইমনের কাছে মিলল ভারতীয় আধার কার্ড, নাম ‘আজহার খান’

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের কাছ থেকে ভারতের নাগরিক পরিচয়পত্র আধার কার্ড উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। কার্ডে তার নাম উল্লেখ রয়েছে আজহার খান।

সেখানে তার জন্মতারিখ লেখা রয়েছে ১৯৯৮ সালের ১২ মে। তবে কার্ডটি আসল নাকি জাল, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পুলিশ জানায়, আধার কার্ড হলো ভারতের বাসিন্দাদের জন্য ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) কর্তৃক ইস্যুকৃত ১২ সংখ্যার একটি বায়োমেট্রিকভিত্তিক পরিচয়পত্র। এটি দেশটিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত বহুল আলোচিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে গত ২২ জুলাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করে আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ধামা ইলিয়াছ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অস্ত্রের মজুত এবং সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি কুখ্যাত সন্ত্রাসী রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২১টি মামলা রয়েছে।

এসপি মাসুদ আলম বলেন, ধামা ইলিয়াছের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন (২৫), আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫), মো. শামীম (২৮) ও মো. সাফায়েত হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের পাইট্রাল টিলাপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি