1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সন্তানদের ওপর রাগ করে ফের বিয়ে করলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ আদালতে রাষ্ট্রপ্রতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহমদের প্রথম কর্মদিবস শুরু বৈঠক করতে মন্ত্রী নিজে গেলেন সৌদি দূতাবাসে! একরামুল হত্যায় হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন সেনা সদস্যদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবনে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

খাইরুল দেওয়ান নামটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে অন্যতম একটি ট্রেন্ডিং বিষয়ে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের পর একটি অনলাইন পোর্টালের ফটোকার্ডে সাধারণ নেটিজেনদের মন্তব্যের জোয়ারে বারবার উঠে আসছে তার নাম।

নেটিজেনরা তাকে ‘প্রিয় নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চাওয়ার কথা জানাচ্ছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এবং কীভাবে আলোচনায় এলেন এই খাইরুল দেওয়ান? চলুন জেনে নেওয়া যাক তার পেছনের সম্পূর্ণ ইতিহাস।

খাইরুল দেওয়ানের নামের এই ট্রেন্ড বা আলোচনার শুরু মূলত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ওই সময় মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সময় এই পদে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন খাইরুল দেওয়ান।

তবে নির্বাচন কমিশন তাকে মনোনয়নপত্র সরবরাহ করেনি। মনোনয়ন ফরম না পাওয়ার প্রতিবাদে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের সামনে খাইরুলসহ আরও তিন ব্যক্তি মানববন্ধন করেন। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করার সুযোগ পেতে তারা আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দেন।

রাজপথ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া: যেভাবে ভাইরাল হলেন

নির্বাচন কমিশন থেকে নিরাশ হওয়ার পর দমে যাননি খাইরুল দেওয়ান। এরপর সংবাদ সম্মেলন থেকে শুরু করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার হাতে দিনের পর দিন রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের সুযোগ চেয়ে অবস্থান করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করার এই অদম্য আগ্রহ ও তার বিভিন্ন মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা তার এই আবদারকে বিনোদনের খোরাক বা ট্রোলের মাধ্যম হিসেবে লুফে নেন। তবে এর পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ওপর হামলার শিকার হওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক দল গঠন ও প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াইয়ের ঘোষণা

ব্যর্থতা সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি খাইরুল দেওয়ান। পরবর্তীতে তিনি ‘স্বঘোষিত জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এই দলের ব্যানারে এবং নানা নামে-বেনামে রাজধানীর পল্টন মোড়, তোপখানা রোড, হাইকোর্ট ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দাবি করে বক্তব্য দিতে থাকেন তিনি।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য না থাকায় তিনি গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার ইচ্ছের কথাও জানান। এসব নানা কার্যক্রমের কারণে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা তাকে মজা করে ‘রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী নেতা’ ও পরবর্তীতে ‘প্রিয় নেতা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে আলোচনা উঠলেই নেটিজেনরা কমেন্ট বক্সে খাইরুল দেওয়ানকে মেনশন করে রসাত্মক মন্তব্য করছেন।

খাইরুল দেওয়ানের ব্যক্তিগত পরিচয়

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সূত্রে জানা যায়, খাইরুল দেওয়ানের আদি পৈত্রিক বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে, যা মুক্তিযুদ্ধের পর ভেঙে যায়। তার বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ার সুবাদে তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি কোয়ার্টারে বড় হয়েছেন। বর্তমানে তার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি