1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম দুবাই থেকে ঢাকায় আসা বিমানের ফ্লাইটে প্রায় ১৯ কেজি সোনার বার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আপনার অযাচিত বক্তব্যে আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ’ তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের পরাধীন, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে কবি নজরুলের আবির্ভাব আলোকবর্তিকার মতো: প্রধানমন্ত্রী পকেটে ছিল না নগদ টাকা, কিউআর স্ক্যানেই চা, মোগলাই ও সবজি কিনলেন গভর্নর পরীক্ষার দিন সকালে বহুতল ভবন থেকে লাফ দিলেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ ঢাকায় যুক্ত হবে পূর্বাচল; নতুন একটি থানা ও তিন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে মুহিব্বুল্লাহিল বাকীর যোগদান

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডর করার প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। তবে ভারতসহ অন্য যেকোনো দেশ চাইলে এতে যুক্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও চীন আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে নতুন বিকল্প নিয়ে কাজ করবে। এর মধ্যে চীন-বাংলাদেশ সরাসরি সংযোগ এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের অর্থনৈতিক করিডোর একটি নতুন কৌশলগত সুযোগ। বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য চীন এ অর্থনৈতিক করিডোর নির্মাণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ইয়াও ওয়েন বলেন, অর্থনৈতিক করিডোর নির্মাণের বিষয়টি নতুন নয়, কারণ ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু কোনো অগ্রগতি হয়নি। ভারতসহ অন্য যেকোনো দেশের যোগদানের জন্য উন্মুক্ত, তবে সেই দেশগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংলাপ ‘টু প্লাস টু’ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহাদ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে (শি জিনপিং ও তারেক রহমান) ‘টু প্লাস টু’ আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সংলাপ ব্যবস্থার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রসঙ্গে ইয়াও বলেন, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা ব্যাপক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা তারই একটি অংশ। তবে রাষ্ট্রদূত কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই বলেও জানান রাষ্ট্রদূত।

আরেক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের স্বার্থে নিজেদের মত করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চীন সমর্থন করে।

এ সময় তিনি ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্যপদ সমর্থনে চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি