1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’ মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক শেরপুরে শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দেয় ফেল করা শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জে মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান ১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

পকেটে ছিল না নগদ টাকা, কিউআর স্ক্যানেই চা, মোগলাই ও সবজি কিনলেন গভর্নর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

পকেটে ছিল না নগদ টাকা, ছিল না খুচরা বা ভাঙতি টাকার ঝামেলাও। হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই কিউআর কোড স্ক্যান করে ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট, সুপার শপ ও কাঁচাবাজারের বিল মিটিয়ে দিলেন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

ক্যাশলেস বাংলাদেশ বা নগদ টাকাবিহীন লেনদেনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার জনপ্রিয় করতে এবার নিজেই মাঠে নামলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে বের হয়ে সরাসরি রাস্তায় নেমে আসেন তিনি। নগদ অর্থ ব্যবহার না করে ‘বাংলা কিউআর’ কোড স্ক্যানের মাধ্যমে একের পর এক কেনাকাটা ও বিল পরিশোধ করে ডিজিটাল লেনদেনের বাস্তব চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন।

প্রথমে ফুটপাতের ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের কাছ থেকে কেনাকাটার মাধ্যমে দিনটির কার্যক্রম শুরু করেন গভর্নর। এরপর রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানে গিয়ে চা পান শেষে কাউন্টারে থাকা বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে বিল পরিশোধ করেন তিনি।

পরে একটি সুপার শপে গিয়ে একই পদ্ধতিতে একটি পিনাট বার কেনেন। দুপুরের দিকে একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে মোগলাইয়ের বিলও পরিশোধ করেন বাংলা কিউআরের মাধ্যমে। সবশেষে একটি কাঁচাবাজারে গিয়ে একজন সবজি বিক্রেতার কিউআর কোড স্ক্যান করে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে সবজি কেনাকাটা সম্পন্ন করেন।

ফুটপাতের দোকান, চায়ের স্টল, রেস্টুরেন্ট, সুপার শপ কিংবা কাঁচাবাজার—সব ক্ষেত্রেই একই পদ্ধতিতে লেনদেন সম্পন্ন করে গভর্নর একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, ডিজিটাল পেমেন্ট এখন আর শুধু বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা শহুরে অভিজাত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনেও এটি সহজেই ব্যবহার করা সম্ভব।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে একটি সমন্বিত ও আন্তঃপরিচালনাযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। নগদ অর্থ বহন, ভাঙতি টাকার ঝামেলা এবং আলাদা আলাদা পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি একীভূত কিউআরভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থার আওতায় সব ধরনের ব্যবসায়ী ও গ্রাহককে যুক্ত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের এমন প্রতীকী অংশগ্রহণ দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হকার ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবহারে আগ্রহ বাড়াবে এবং ক্যাশলেস বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নে নতুন গতি যোগ করবে।

এদিকে দেশে ক্যাশলেস বা নগদহীন লেনদেন উৎসাহিত করতে ‘বাংলা কিউআর’ কোডে লেনদেন ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এই কিউআর কোড ব্যবহার করে মার্চেন্ট বা বিক্রেতারা লেনদেনের বিপরীতে ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ ১ শতাংশ ফি বা চার্জ কাটতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি