1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মুকসুদপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ, পিকআপ ভ্যানের হেলপার নিহত ৩৪তলার ফ্ল্যাটের দাম পরিশোধ করে ক্রেতা জানতে পারলেন ভবন ৩২তলা ব্রাজিলের জালে ৭ গোল দিয়ে ইতিহাস গড়েছে যেসব দেশ ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি বিধান দেশে নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখতে চায় দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে বাস, নিহত ৪ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শেখ মজিবুরের মামলার আবেদন খারিজ বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩ দিনেও মেলেনি রহস্যের সমাধান, তাপের উৎস খুঁজতে আসছে পেট্রোবাংলার দল ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

৩৪তলার ফ্ল্যাটের দাম পরিশোধ করে ক্রেতা জানতে পারলেন ভবন ৩২তলা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

চীনে এক ব্যক্তি দাম পরিশোধের পর জানতে পেরেছেন তিনি ৩৪ তলার যে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন, সেটির কোনো অস্তিত্বই নেই। কারণ ভবনটি মাত্র ৩২ তলা। শেন নামের ওই ক্রেতা ২০১৩ সালে চীনের শানসি প্রদেশের শিয়ান শহরের নিকটবর্তী একটি এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টটি কিনতে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন। খবর এনডিটিভির।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, বহু বছর পর শেন জানতে পারেন, তিনি আবাসন-সংক্রান্ত এ কেলেঙ্কারির শিকার হয়েছেন। শেন কথিত ৩৪তম তলায় ৯০ বর্গমিটারের একটি অ্যাপার্টমেন্ট প্রতি বর্গমিটার ২ হাজার ৬৪৬ ইউয়ান দরে কিনেছেন। প্রকল্পটি ‘সীমিত সম্পত্তির অধিকার’ ক্যাটাগরির হওয়ার কারণে দাম কম রাখা হয়। এ ধরনের স্থাপনাগুলো প্রায়ই সরকারি অনুমোদন ছাড়া নির্মিত হয় এবং সাধারণ আবাসিক প্রকল্পগুলোর মতো আইনি সুরক্ষা পায় না।

২০১৩ সালে শেন ওই অ্যাপার্টমেন্টের জন্য ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ডাউন পেমেন্ট হিসেবে প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদপত্র পরবর্তীতে জোগাড় করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিল ডেভেলপার। তবে, এ ধরনের প্রকল্পগুলো সাধারণত প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র সংগ্রহ করতে পারে না।

অ্যাপার্টমেন্টটি মূলত ২০১৫ সালে হস্তান্তরের কথা ছিল, কিন্তু নির্মাণকাজের বিলম্বের কারণে সময়সীমা পিছিয়ে যায়। ২০১৭ সালে ডেভেলপার শেনকে জানান, ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে, যার ফলে তার কেনা ইউনিটটি পাওয়া অসম্ভব।

কোম্পানিটি প্রথমে শেনকে ৩২ তলায় একটি বিকল্প অ্যাপার্টমেন্টের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু শেন তাৎক্ষণিক বাকি টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সেটি অন্য একজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

গৃহহীন হয়ে শেন তার টাকা ফেরত চান। তবে ডেভেলপার জানান, তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং পুরো টাকা ফেরত দিতে পারবে না।

ওই ডেভেলপার সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার আগে শেন ২০২০ সালে মাত্র ২০ হাজার ইউয়ান এবং ২০২২ সালে ৫০ হাজার ইউয়ান ফেরত পেয়েছিলেন।

পরবর্তীতে শেন বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যান। কর্তৃপক্ষ ডেভেলপারকে তার অগ্রিম প্রদত্ত অর্থের অবশিষ্ট ৪৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান এবং এর সঙ্গে ২৭ হাজার ইউয়ান সুদসহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যদি এই অর্থ পরিশোধ না করে তাহলে ডেভলপারকে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

ওই আদেশ সত্ত্বেও চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন তার বকেয়া অর্থ পাননি। অ্যাপার্টমেন্টটি কেনার এক দশকেরও বেশি সময় পরেও শেন গৃহহীন এবং তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পাননি। এই ঘটনাটি চীনে আইনি সুরক্ষাবিহীন স্বল্পমূল্যের সম্পত্তি কেনার ঝুঁকির বিষয়টিকে আবারও উসকে দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি