পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। শনিবার (২১ মে) ভোর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে যাত্রীদের বাড়তি উপস্থিতি।
ঈদযাত্রার আনুষ্ঠানিক রেল কার্যক্রম শুরু হয় সকাল ৬টায়। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা ছাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ঈদ ট্রেনযাত্রা। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশ্যে আরও কয়েকটি ট্রেন ছেড়ে যায়।
সকাল ১০টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে মোট ১২টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে রওনা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় মেনে কোনো ট্রেনই ছাড়তে পারেনি। বেশিরভাগ ট্রেন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট বা তারও বেশি দেরিতে স্টেশন ত্যাগ করেছে।
সবশেষে রংপুরগামী ‘রংপুর এক্সপ্রেস’ কমলাপুর ছাড়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। ট্রেনটির নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৯টা ১০ মিনিট।
অন্যদিকে, সকাল ১০টায় জামালপুরের উদ্দেশ্যে ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ ছাড়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সেটি স্টেশন ছাড়েনি।
এদিকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কমলাপুর স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন। তিনি যাত্রীদের কাছে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ, নির্ধারিত আসনে বসার সুযোগ এবং সার্বিক যাত্রাসেবা নিয়ে খোঁজ নেন।
যাত্রীরা জানান, এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভিড় না থাকায় টিকিট অনুযায়ী সিট পেতে তেমন সমস্যা হয়নি। তবে ট্রেনের ভেতরের সেবার মান নিয়ে অভিযোগ করেন কয়েকজন। কেউ ফ্যান নষ্ট থাকার কথা বলেন, কেউ অভিযোগ করেন ভাঙা সিট ও অপরিষ্কার টয়লেট নিয়ে।
যাত্রীদের এসব সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনার পর রেলওয়ের মহাপরিচালক ধাপে ধাপে সেবার মান উন্নয়নের আশ্বাস দেন।
ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর রেলস্টেশনগুলোতে যাত্রীচাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।