1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘নথি’ বলছে গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ, মন্ত্রীর দাবি ‘সিদ্ধান্ত হয়নি’ ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর ৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ কারামুক্ত আ.লীগ নেতাকর্মীদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আটক ৪ বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ : ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নী জেনারেল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিট মামলার ফাইল ইচ্ছেকৃতভাবে আদালতে না নেওয়ায় এক অফিস সহায়ককে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন অ্যাটর্নী জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে অ্যাটর্নী জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজে ওই কর্মচারীকে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে অ্যাটর্নী জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি নিয়মিত ফৌজদারি মামলা করেছে।

জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিট মামলার কপি অ্যাটর্নী জেনারেল অফিসে দাখিল করা হয় গত ১৩ এপ্রিল। এরপর গত ১৫ এপ্রিল ওই রিট মামলার শুনানি হয়। কিন্তু অভিযুক্ত অফিস সহায়ক ইমরান হোসেন ওই রিট মামলার ফাইল আদালতে নেয়নি।

অ্যাটর্নী জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রিটের ফাইল সরবরাহ না করায় কর্তব্যরত রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা ডেপুটি অ্যাটর্নী জেনারেল (ডিএজি) সরকারি বক্তব্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। এ বিষয়ে উক্ত কোর্টে দায়িত্বরত আইন কর্মকর্তাগণ ভীষণ মনঃক্ষুণ্ন হন এবং ওই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। ওই রিট আবেদনটি জনগুরুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সম্পর্কিত। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দৃষ্টিতে এনে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফাইল ভিসিভকারী মো. মনিরুজ্জামান সরকার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক উক্ত কোর্টে দায়িত্ব পালনকারী অপর অফিস সহায়ক সম্রাট বাহর এবং নিয়োজিত ডিএজি খন্দকার বাহার রুমি (কে.বি, কমি) সঙ্গে আলাপ করার পর অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেন এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাইল আদালতে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার মানসে কোন প্রলোভনে পড়ে একাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হতে পারেন, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে থাকতে পারেন। অভিযুক্ত মো. ইমরান হোসেন এর এহেন কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর পরিপন্থি ও গুরুতর অসদাচরণ। এছাড়া এই কাজে অন্য কোনো ব্যক্তি ও সঙ্গবদ্ধ প্রাণ জড়িয়ে আছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত ফৌজদারি মামলা দায়েরের অনুরোধ জানাচ্ছি।

এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল এক অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো দুষ্ঠচক্র রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে থাকতে পারবে না। ঘুষ, দুর্নীতির ব্যাপারে সবাইকে জিরো টলারেন্স থাকতে হবে।’

উল্লেখ্য, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে গত বুধবার হাইকোর্ট আদেশ দেন। আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষ তা স্থগিতে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দেন। এ আদেশের ফলে আগামী ১৮ এপ্রিল (শনিবার) ওই পরীক্ষা হতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রিটের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর রিটের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

গত ২৯ জানুয়ারি ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন আহ্বান করা হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। কিন্তু আবেদনপত্র দাখিল করার ১৯ দিন পরে স্কুল ও কলেজ এবং ২৫ দিন পরে ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা এবং মাদ্রাসা শিক্ষাসংক্রান্ত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের সব পদে শিক্ষকদের ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি