1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার আওয়ামী লীগের সময়ের সার ডিলার বাতিল ঢাকায়ও লোডশেডিং করা হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দাবি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
ইরানে হামলার জন্য চার জন প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছেন নেতানিয়াহু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার জন্য দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে চেষ্টা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এ লক্ষ্যে মোট চার জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে দেন-দরবার তিনি।

এই প্রেসিডেন্টরা হলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ (২০০১-২০০৯), বারাক ওবামা (২০০৯-২০১৭), জো বাইডেন (২০২১-২০২৫) এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের প্রত্যেকের কাছে একাধিকবার ইরানে হামলা করার প্রস্তাব দিয়েছেন নেতানিয়াহু, কিন্তু একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যতীত বাকি তিন জন প্রেসিডেন্টই তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের সাবেক প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বর্তমানে দ্য ব্রিফিং নামের একটি টক শো সঞ্চালনা করেন। গতকাল শুক্রবার সেই অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন জন কেরি, যিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

“প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রত্যাখ্যান করেছেন, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রত্যাখ্যান করেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও প্রত্যাখ্যান করেছেন। একমাত্র প্রেসিডেন্ট, ‍যিনি নেতানিয়াহুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন, নিশ্চিতভাবেই তিনি হলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প”, টক শোতে বলেন কেরি।

টক শোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “ইরানের কোন জায়গাগুলোতে হামলা করা হবে, সরকারের কোন কোন নেতা ও কর্মকর্তাকে হত্যা করতে হবে, সবই নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত হামলা পরিকল্পনায় গোছানো আকারে ছিল। ইরানের সরকার পরিবর্তন ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ধ্বংস করা ছিল নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত হামলা পরিকল্পনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে হন গুরুতর আহত।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ৮ মার্চ মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে ইরান। তারপর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে গত ১২ মার্চ রুশ সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে মস্কো যান মোজতবা। সেখানে একটি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

সূত্র : আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি