1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

‘ভুয়া চাহিদাপত্র’ দেখিয়ে তেল নিতে গিয়ে ধরা ৪ ফায়ারকর্মী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

অফিসের প্রয়োজন না থাকার পরেও ‘ভুয়া চাহিদাপত্র’ দিয়ে রাজশাহীর একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ৪ কর্মী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন পুলিশের হাতে। অফিসের নামে নিজেরাই চাহিদাপত্র তৈরি করে ব্যক্তিগতভাবে তেল নিতে গিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত এই তেল আবার ফিলিং স্টেশনে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার রাজশাহীর পবা উপজেলার হাবিব ফিলিং স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের সেকেন্ড অফিসার রবিউল আলমসহ চারজন ওই স্টেশনের সরকারি গাড়িতে একটি করে ড্রাম ও ব্যারেল নিয়ে ফিলিং স্টেশনে যান। এ সময় রবিউল আলম তার স্বাক্ষরিত একটি চাহিদাপত্রও ফিলিং স্টেশনে দেন। এটি দেখে প্রথমে তাদের ২০০ লিটার পেট্রল দেওয়া হয়। পরে তারা আরো ১০০ লিটার অকটেন নেন।

এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে স্টেশনের ইনচার্জের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, অফিসের চাহিদায় কোনো তেল নেওয়া হচ্ছে না। এর পর ওই ড্রাম ও ব্যারেল থেকে তেলগুলো ফেরত নিয়ে পাম্পে ঢেলে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী বলেন, ‘এ ধরনের কাজ ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মীরা যেন আর না করেন সেটি সতর্ক করে তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের তেল দেওয়া হয়নি।’

ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ার হাউজ ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। রবিউল আলমকে দায়িত্ব দিয়ে এসেছি। আমাদের এভাবে তেল নেওয়া হয় না। আসলে ওরা নিজেদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য এভাবে চাহিদা দেখিয়ে তেল নিতে গিয়েছিল। কাজটা ঠিক করেনি। আমি ফোনেই বকাঝকা করেছি।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহীর সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি আজই রাজশাহীতে যোগদান করেছি। বিষয়টা জানতাম না। আমাদের নির্দেশনা আছে যে সরকারি গাড়ির যেন অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার না হয়। সেখানে তারা সরকারি গাড়ি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে তেল নিতে গিয়ে ঠিক করেননি। নিজেদের জন্য সরকারি চাহিদা দেখানোও ঠিক হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। তাদের বদলি করা হবে।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি