1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বাকৃবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. এম এ রহিম

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবছর জাতীয় স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অধ্যাপক ড. এম এ রহিম। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অধ্যাপক ড. এম এ রহিম বাকৃবির কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ১৯৮২ সালে ওই বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউ-জার্মপ্লাজম সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান গবেষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

ড. এম এ রহিম যুক্তরাষ্ট্রের উইন্সকন্সিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর ও বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকানসিনের এডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. এম এ রহিমের নেতৃত্বে গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয় উচ্চফলনশীল ও অর্থকরী কুলের জাত ‘বাউকুল’, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল কুল নামেও পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারের গবেষণায় প্রায় ১৭ বছরের প্রচেষ্টায় এ জাতটি উদ্ভাবিত হয়।

কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘হুজ হু বাংলাদেশে ২০১৭’ পদক লাভ করেন।

বৃক্ষরোপণে অবদানের জন্য ২০০৪, ২০১২ ও ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি নোবেল বিজয়ী ড. নরম্যান ই. বোরলগ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্মাননা-২০০৮, বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক-২০১৪, খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ স্বর্ণপদক-২০১৬, বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার স্বর্ণপদক-২০১৬ এবং বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স স্বর্ণপদক-২০১২ সহ দেশি-বিদেশি নানা সম্মাননা অর্জন করেছেন।

গবেষণায়ও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। ফল উৎপাদন, কৃষি বনায়ন, ফল সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা এবং সংরক্ষণ বিষয়ে তার প্রায় ২২৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি