1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত পরিবহন খাত, নিরসনে ৩ দফা দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

দেশে চলমান এলপিজি অটোগ্যাস সংকটের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পরিবহন খাত। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনের চালকরা বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরেও গ্যাস না পাওয়ায় বিঘ্নিত হচ্ছে যাত্রীসেবা। এমন পরিস্থিতিতে এলপিজি সংকট নিরসনে তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।

এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. সিরাজুল মাওলা বলেন, এলপিজি অটোগ্যাস একটি পরিবেশবান্ধব, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি, যা সিএনজি, পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিকল্প হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সরকারের উৎসাহে দেশের ৬৪ জেলায় প্রায় এক হাজার এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন স্থাপিত হয়েছে এবং এর ওপর ভিত্তি করে প্রায় দেড় লাখ যানবাহন এলপিজিতে রূপান্তর করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তীব্র এলপিজি সংকটের কারণে দেশের প্রায় সব অটোগ্যাস স্টেশন কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এতে স্টেশন মালিকদের পাশাপাশি এলপিজিচালিত যানবাহনের মালিক ও চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশন ঘুরেও গ্যাস না পাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। যাত্রীসেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, দেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি ব্যবহার হয়, যার মধ্যে পরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয় মাত্র ১৫ হাজার মেট্রিক টন বা প্রায় ১০ শতাংশ। অথচ এই সামান্য পরিমাণ এলপিজির সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় পুরো এলপিজি অটোগ্যাস শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়, সেগুলো হলো— এলপিজি সরবরাহকারী কম্পানি, অপারেটর ও এলওএবি’র প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, যে কোনো উপায়ে অটোগ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বিইআরসি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে এলপিজি আমদানিসংক্রান্ত সব জটিলতা দ্রুত সমাধান করে অপারেটরদের মাধ্যমে অটোগ্যাস খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।

ভবিষ্যতে যেন এলপিজি সরবরাহে ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রয়োজনে সরকারি উদ্যোগে বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আমদানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, ভোক্তা স্বার্থ এবং পরিবেশ রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় এলপিজি সংকট নিরসন না হলে এর প্রভাব পুরো অর্থনীতি ও জনজীবনে আরো গভীর সংকট সৃষ্টি করবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সাঈদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসিন পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. ইকবাল হোসাইন, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক মো. মোকবুল হোসেন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ন কবির ভূঁইয়া, মো. মশিউর রহমানসহ অন্য নেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি