1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

কুষ্টিয়া-৩ আসনে আমির হামজার মনোনয়ন বৈধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে পর কুষ্টিয়া-৩ আসনে জমায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন কুষ্টিয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইকবাল হো‌সেন।

এ সময় সাংবাদিকদের আমির হামজা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ বৈধ হয়েছি, আমরা আবার শুকরিয়া আদায় করছি। নির্বাচনি লেভেলিং ফিল্ড লাগবে; এখনো হয়নি। কি হবে এখনো জানি না, ২২ তারিখের পরে আশা করছি এগুলো ১০০ শতাংশ ঠিক হয়ে যাবে। বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্ত দৃশ্যগুলো দেখতে পাচ্ছি, তার মানে এখনো আমাদের মন মতো হয়নি, আমরা আশা করব মন মত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে সমস্ত বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশন থেকে লিখে দিয়েছে, প্রত্যেকটা দলের প্রার্থী যদি এগুলো মেনে চলে আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আমাদের সদর থানা পুরোটা পুড়ে যাওয়ায় এবং অস্ত্রগুলো লুট হওয়ার কারণে আমরা এখন আতঙ্কে আছি। এই অস্ত্রগুলো কোথায় আছে, এগুলো এখনো পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি। আমাদের বারবার আশ্বাস দিচ্ছে এগুলো নিয়ে কাজ করছে, তবে এখনো দৃশ্যমান কিছু দেখিনি। অস্ত্রগুলো তাড়াতাড়ি উদ্ধার করা লাগবে এবং বর্ডারে যে সমস্ত অস্ত্রগুলো আসছে এগুলো বন্ধ করতে হবে। নইলে নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না।’

উল্লেখ্য, কু‌ষ্টিয়া জেলার ৪টি আসনে ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফলে জেলার চারটি আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ জনে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আমির হামজার বার্ষিক আয় ৯ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকা। তাঁর বর্তমান পেশা ব্যবসা ও কৃষি। স্ত্রী, তিন মেয়েসহ পরিবারে নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আমির হামজা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় আয় ও সম্পদের এ তথ্য উল্লেখ করেছেন।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আমির হামজার অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য (অর্জনকালীন) ৪৬ লাখ ১১ হাজার ১২ টাকা। বর্তমানে এই সম্পদের আনুমানিক মূল্য একই পরিমাণ টাকা দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে তাঁর কাছে নগদ আছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৭০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর নামে জমা আছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ টাকা। এর বাইরে তাঁর মালিকানাধীন মোটরযানের মূল্য ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবের উপহারমূল্য ৬ লাখ টাকা। নিজের কোনো গয়না নেই। তাঁর স্ত্রীর উপহার হিসেবে পাওয়া ১০ ভরি সোনার দাম দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা।

আমির হামজার স্ত্রীর নামে হলফনামায় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৬ টাকার (বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৬ টাকা) অস্থাবর সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে নগদ ১ লাখ টাকা আছে। ব্যাংকে আছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৬ টাকা। তিন মেয়ের নামে ১ লাখ ২০ হাজার করে ব্যাংকে আছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে আমির হামজার কৃষিজমি আছে ০.৭৮৩১ একর, যার অর্জনকালীন দাম ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা। ভবন (আবাসিক বা বাণিজ্যিক) দশমিক ০৩৩০ একর, যার দাম দেখিয়েছেন ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯০ টাকা। বাড়ি/ অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে ২০ লাখ টাকার। গৃহিণী স্ত্রীর নামে ভবন (আবাসিক বা বাণিজ্যিক) দশমিক ০৩৩০ একর, যার দাম দেখিয়েছেন ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯০ টাকা। ১২ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে স্ত্রীর, যার অর্জনকালীন মূল্য ২ লাখ টাকা।

নিজের সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা আয় দেখানোর কথা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন আমির হামজা। এই আয়ের বিপরীতে তিনি ৫৪ হাজার ৯৬০ টাকা আয়কর দিয়েছেন। আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি।

আমির হামজা তাঁর নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য নিজের ব্যবসা ও কৃষি থেকে আয় করা ১৫ লাখ টাকা খরচ করবেন। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজনের মধ্যে স্ত্রী বাড়িভাড়া/ মোহর, শ্বশুরের চাকরি ও চাষাবাদ থেকে ৫ লাখ এবং বাবার চাষাবাদ থেকে প্রাপ্ত ৫ লাখ করে টাকা ধার নেবেন। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় দান হিসেবে চাচার কাছ থেকে ৩ লাখ ও দুলাভাইয়ের কাছ থেকে নেবেন ৫ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের বাইরে যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসক মহিউদ্দীন কাছ থেকে স্বেচ্ছায় দান হিসেবে নিচ্ছেন ৫ লাখ টাকা।

আমির হামজা ও তাঁর স্ত্রীর নামে কোনো ঋণ নেই। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর। আমির হামজা তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধনী ২০১৩) আইনে করা দুটি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি