1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’ মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক শেরপুরে শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দেয় ফেল করা শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জে মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান ১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

চাঁদা চেয়ে মারধর, নেত্রকোণা জেলা ছাত্রদল সভাপতিকে নোটিশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫


নেত্রকোনা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঠিকাদার সারোয়ার জাহানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে সারোয়ার জাহান এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় সুমন নামের এক যুবক সারোয়ার জাহানকে ডেকে বাইরে নিয়ে আসেন এবং বাইরে উপস্থিত থাকা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী সারোয়ার জাহানকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন।

বিষয়টি নিয়ে নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, আমি ছুটিতে আছি, তবে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মারধর ও চাঁদাবাজি আমলে নিয়ে অনিক মাহমুদ চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশে দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ। সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত নোটিশে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অনিক মাহমুদ চৌধুরীকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

নেত্রকোণা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার সারোয়ার জাহান আমার রুমে বসে কথা বলছিল। এমন সময় ছাত্রদল নেতা সুমন তাকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে তাকে মারধর করা হয়। ওখানে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব ও সুমন ছিল বলে জেনেছি। আমি তাৎক্ষণিক বিষয়টি পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদার সারোয়ার জাহানের সঙ্গে সুমন নামের একজনের কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি শুনে আমি এগিয়ে যাই। এখানে আমাকে অহেতুক জড়ানো হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি