1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য অসঙ্গত : বেইজিং

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য অসঙ্গত : বেইজিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই বিগানের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং। তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘অসঙ্গত’ ও ‘গঠনমূলক’ নয়।

শনিবার ঢাকার চীনা দূতাবাস এক বার্তায় এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর শেষে দেশে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন বিগান রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের ভূমিকার সমালোচনা করেন। বিগান বলেন, চীন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে খুব কম কাজ করেছে।

চীনের বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশ সফর শেষে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই বিগান ওয়াশিংটন ডিসিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যক্রমে চীন রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে সহায়তা করার জন্য খুব কম কাজ করেছে।’

দূতাবাস বলছে, ‘সবার প্রত্যাশা বিগানের এ সফর বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের দিকে নজর দেবে।’

দূতাবাসের ভাষ্য, চীন-ভারত সীমান্ত সংঘাত, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা, দক্ষিণ চীন সাগরের সমস্যা এবং হংকংয়ের জাতীয় সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে ১৫ অক্টোবর বিগান বাংলাদেশ ছাড়ার আগেই চীনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ শুরু করেছিলেন। এসব ইস্যুর সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই।

দূতাবাসের বার্তায় আরও বলা হয়, এ ধরনের আচরণ কেবল কূটনৈতিক নীতিমালার মারাত্মক লঙ্ঘন নয়, সফরটির আয়োজক দেশের প্রতিও অশ্রদ্ধা। বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রেমী দেশ যাদের নীতি সবার সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও সাথে শত্রুতা নয়।

দূতাবাস বলছে, বিগানের ২০ অক্টোবরের মন্তব্য কেবল এ রকম আচরণের ধারাবাহিকতা, যেখানে বাংলাদেশের গুরুতর উদ্বেগের বিষয় রোহিঙ্গা ইস্যুকে ব্যবহার করা হয়েছে চীনের সমালোচনা এবং নিজের পক্ষপাতিত্ব প্রচার করতে।

‘যেহেতু চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমস্যাগুলো সমাধানে আমাদের প্রচুর দ্বিপক্ষীয় চ্যানেল রয়েছে, তাই সম্মতি ছাড়াই বিগানের কোনো তৃতীয় পক্ষকে টেনে আনা উচিত হয়নি’ বলছে চীনা দূতাবাস।

দূতাবাস জানায়, ২০১৭ সাল থেকে চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিন দফায় মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং কর্মপর্যায়ে বহু দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ সভা করেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন রাজনৈতিক এবং মানবিক প্রচেষ্টা শুরুতেই আরম্ভ করেছে এবং সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানায় দূতাবাস।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি