1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

চলতি এসএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। বৃহস্পতিবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন দুপুর ২ টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রতিটি শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছেন ৬১ হাজার ৪৫৬ জন। ফেল করেছেন ৪৪ হাজার ১০২ জন।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছেন ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিলো। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। গতবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৫০ জন।

প্রসঙ্গত, এসএসসি পরীক্ষার গ্রেডিং সিস্টেমে, প্রতিটি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে লেটার গ্রেড এবং গ্রেড পয়েন্ট দেয়া হয়। সাধারণত, ৮০ বা তার বেশি পেলে এ+ (৫ দশমিক ০০), এ পেলে ৪ দশমিক ০০, এ- পেলে ৩ দশমিক, পেলে ৩ দশমিক ০০, সি পেলে ২ দশমিক ০০, ডি পেলে ১ দশমিক ০০ এবং এর নিচে এফ (০ দশমিক০০) গ্রেড দেয়া হয়।

এখানে গ্রেড এবং নম্বরগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা দেয়া হলো: ৮০-১০০ নম্বর: এ+ (জিপিএ: ৫ দশমিক ০০), ৭০-৭৯ নম্বর: এ (জিপিএ: ৪ দশমিক ০০), ৬০-৬৯ নম্বর: এ- (জিপিএ: ৩ দশমিক ৫০), ৫০-৫৯ নম্বর: বি (জিপিএ: ৩ দশমিক ০০), ৪০-৪৯ নম্বর: সি (জিপিএ: ২ দশমিক ০০), ৩৩-৩৯ নম্বর: ডি (জিপিএ: ১ দশমিক ০০), ৩২ বা তার কম: এফ (জিপিএ: ০ দশমিক ০০)।

এই গ্রেডগুলো মূলত সামগ্রিক গ্রেড পয়েন্ট (জিপিএ) গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে মোট বিষয় সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে জিপিএ হিসাব করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি