1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত

শফিকুল ইসলাম, জামালপুর
  • আপডেট : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪

‘এসো প্রাণের ছোঁয়ায় গড়ি রক্তের বন্ধন, চোখের জ্যোতি হয়ে উঠুক প্রাণের স্পন্দন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসুচির আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. মো: ফজলুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. মুহা: মাহফুজুর রহমান, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজী মো: রফিকুল হক, জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. স্বাগত সাহা, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আনিছুর রহমান, রক্তের বন্ধনের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়া আলম আসাদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন, বাকী রক্তের চাহিদা অবৈধভাবে কেনাবেচার মাধ্যমে পুরণ করা হয়। বছরে মাত্র দশ লক্ষ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলেও আমরা সে চাহিদা পুরণ করতে পারছি না। তাই আমাদের আরও বেশী সচেতন হতে হবে, স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রেও আমাদের আগ্রহ অনেক কম। আমাদের দেশের রোগীদের জন্য অন্য দেশ থেকে কর্নিয়া এনে প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু এই ব্যপারটি বেশ জটিল। সেজন্য এখনই আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচিতে রক্তদান করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি