1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চাকরি গেল বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বুড়ো বয়সে ভীমরতি রোগে ভুগছেন অলি আহমদ: ফজলুর প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, যা বললো ডিবি সিলেটে নিজ বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার আ.লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত : জয়সওয়াল দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী ‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’

জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত

শফিকুল ইসলাম, জামালপুর
  • আপডেট : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪

‘এসো প্রাণের ছোঁয়ায় গড়ি রক্তের বন্ধন, চোখের জ্যোতি হয়ে উঠুক প্রাণের স্পন্দন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসুচির আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. মো: ফজলুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. মুহা: মাহফুজুর রহমান, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজী মো: রফিকুল হক, জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. স্বাগত সাহা, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আনিছুর রহমান, রক্তের বন্ধনের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়া আলম আসাদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন, বাকী রক্তের চাহিদা অবৈধভাবে কেনাবেচার মাধ্যমে পুরণ করা হয়। বছরে মাত্র দশ লক্ষ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলেও আমরা সে চাহিদা পুরণ করতে পারছি না। তাই আমাদের আরও বেশী সচেতন হতে হবে, স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রেও আমাদের আগ্রহ অনেক কম। আমাদের দেশের রোগীদের জন্য অন্য দেশ থেকে কর্নিয়া এনে প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু এই ব্যপারটি বেশ জটিল। সেজন্য এখনই আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচিতে রক্তদান করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি