1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই, ‘শব্দটি আগে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হতো’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশজুড়ে কালবৈশাখীর আশঙ্কা, ৮ বিভাগে সতর্কতা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, সাগরে নৌযান চলাচলে সতর্কতা প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক রোসাটম মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মাইক্রোবাস খাদে, নিহত ৩ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক কর্মকর্তা, তদন্ত কমিটি জিয়া পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা, বিরোধীদের সতর্কবার্তা তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

মোঃ নাইমুর রহমান, শেরপুর
  • আপডেট : বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মকবুল হোসেন ওরফে লালে (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. ইমান আলী শেখ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। একইসাথে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আসামি মকবুল হোসেন সদর উপজেলার মির্জাপুর কান্দিপাড়া গ্রামের মো. আশরাফ আলীর ছেলে ও তিন সন্তানের জনক। এদিকে একই ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মকবুল হোসেনের মা বকুলা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে মকবুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার বাতিয়াগাঁও গ্রামের মো. রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে মোছা. নুরুন্নাহারের। দাম্পত্য জীবনে ২ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয় তাদের সংসারে। কিন্তু ঘটনার ২/৩ বছর পূর্বে থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নুরুন্নাহারকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে স্বামী মকবুল হোসেন। এক পর্যায়ে ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নুরুন্নাহারকে যৌতুকের দাবিতে প্রচণ্ড মারপিট করে ও শ্বাসরোধে হত্যা করার পর মুখে বিষ ঢেলে তার লাশ জেলা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় মকবুল হোসেন।

ওই ঘটনায় পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি নুরুন্নাহারের বড় ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মকবুল হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং মকবুল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২ নভেম্বর আসামি মকবুল হোসেন ও তার মা বকুলা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার তৎকালীন এসআই শরীফ হোসেন।

বিচারিক পর্যায়ে বাদী, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে মকবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও তার মা বকুলা বেগমকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি