1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

জি কে শামীম ও তাঁর সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় প্রভাবশালী ঠিকাদার জি কে শামীম ও তাঁর সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া অপর সাতজন হলেন—দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম ও জাহিদুল ইসলাম।

রায় ঘোষণার আগে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

তিন বছর আগে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ শামীম গ্রেপ্তার হন। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, অর্থ পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মোট চারটি মামলা হয়। এখন তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান।

গ্রেপ্তারের আগে শামীম কখনো নিজেকে যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক পরিচয় দিতেন। আবার কখনো পরিচয় দিতেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে। তিনি চলতেন সামনে-পেছনে সাতজন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় কাজের প্রায় সবই ছিল তাঁর প্রতিষ্ঠানের কবজায়।

২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র মামলায় শামীম ও তাঁর সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর শামীমসহ তাঁর সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় র‍্যাব। ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, শামীম একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী। তাঁর দুষ্কর্মের সহযোগীরা উচ্চ বেতনভোগী। তাঁরা অস্ত্রের লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে তা বহন ও প্রদর্শন করেছেন। এর মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আসছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি