1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

বাকৃবিতে গাড়ি ভাঙচুর, ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিককে মারধর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) গত ২৬ মার্চের বিভিন্ন ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাওয়া নিয়ে ছাত্রলীগের একপক্ষ রাস্তা অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাংবাদিককে মারধর করেছে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ সময় তাঁর ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। আজ সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন নিরাপত্তা শাখার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিক ময়মনসিংহের একটি অনলাইন পোর্টালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চের ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগের একপক্ষ। তারা বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, ফজলুল হক হল, শামসুল হক হল ও ঈশা খাঁ হলের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে জানা যায়। বিক্ষোভের একপর্যায়ে নিরাপত্তা শাখার উভয় পাশের রাস্তা বন্ধ করে দেন আন্দোলনকারীরা। ওই সময় একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করা হয় এবং চালকসহ গাড়ির যাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়।

এ সময় গাড়ি ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করতে গেলে ময়মনসিংহ লাইভ অনলাইন পোর্টালের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত আবদুল্লাহ ওমর আসিফের ওপর চড়াও হয় শামসুল হক হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহীন সুমনসহ আরও অনেকে। এ সময় তাঁরা এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারতে থাকে আসিফকে। মারধরের সময় তাঁর ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পরে আহত ওমর আসিফকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু হাদী নূর আলী খান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, সহকারী প্রক্টর ড. মো. শফিকুল ইসলাম ও ড. মো. রিজওয়ানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যার দিকে সাংবাদিক ওমর আসিফের ওপর হামলার ঘটনায় ওই হলগুলোর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতা ইমতিয়াজ আবির, আবু রায়হান মিথুন, সজীব চন্দ্র সরকার, নিলয় মজুমদার ও মিফতাহ সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনা কখনো ঘটবে না বলে জানান।

আহত ওমর আসিফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুরের সময় সাংবাদিক হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করছিলাম। এমন সময় একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আমার ওপর হামলা করে। ওই সময় কয়েকজন মিলে কিল-ঘুষি ও লাথি মারে। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত শাহীন সুমন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি আন্দোলনে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি কারও গায়ে হাত তুলিনি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি এর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি