ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ও এর প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধাবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ১০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।
হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের কারণে বিপাকে পড়েছে শত শত প্রবাসী যাত্রী। অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তবে এয়ারলাইনসগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।
আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সকাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্য থেকে আসা সাতটি (অ্যারাইভাল) এবং চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকা তিনটি (ডিপার্চার) আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশসীমা ব্যবহার নিয়ে ঝুঁকি ও নিরাপত্তা বিবেচনায় বিমান সংস্থাগুলো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবারও একই পরিস্থিতির কারণে ছয়টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই (ইএ-১৪৭) এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-শারজাহ (ইএ-১৫১) ফ্লাইট। এ ছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দোহাগামী একটি ফ্লাইটসহ শারজাহ, দুবাই ও মাসকাট থেকে আসা তিনটি অ্যারাইভাল ফ্লাইটও বাতিল করা হয়।
জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে আজ ১০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।