1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

‘মোদিজি, হাসিনাকে বিহার সীমান্তে দিয়ে যান, আমরা তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব’

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিহারের আসন্ন নির্বাচনে প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে। অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন। এর মধ্যেই প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ নিয়ে অভিযোগ। এই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যকে সরাসরি খণ্ডন করে পাল্টা আক্রমণ করেছেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।

গত সপ্তাহে পূর্ণিয়ায় এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী মোদি অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেস ও আরজেডি বিহারে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ আশ্রয় দিচ্ছে। এর জবাবে ওয়াইসি গতকাল দাবি করেন, বিহারে কোনো বাংলাদেশি নেই, বিশেষ করে সীমাঞ্চল অঞ্চলে, যেখানে তার দল আগের নির্বাচনে ভালো ফল করেছিল।

ওয়াইসি বলেন, ‘মোদিজি বলেন বিহারে বাংলাদেশি আছে। মোদিজি, বিহারে কোনো বাংলাদেশি নেই, বিশেষ করে সীমাঞ্চল অঞ্চলে নেই। কিন্তু আপনার দিল্লিতে বাংলাদেশ থেকে আসা এক বোন আছেন। তাকে বাংলাদেশে পাঠান। তাকে সীমাঞ্চলে নিয়ে আসুন, আমরা তাকে নামিয়ে দেব।’

তার এই মন্তব্যে সরাসরি ইঙ্গিত ছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে। তিনি ২০২৪ সালের আগস্টে ঢাকায় বিক্ষোভের পর পদত্যাগ করে দিল্লিতে বসবাস শুরু করেন।

বিহারের ভোটের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্নটি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে। কমিশন বলছে, এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, এটি দরিদ্র মানুষ ও সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কৌশল। কমিশনের খতিয়ানে নেপালি, বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের কিছু নাগরিকের নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বহুবার ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ প্রসঙ্গ তুলেছেন। স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ থেকে শুরু করে নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এই ইস্যুতে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন। পূর্ণিয়ার সভায় তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কারণে ‘জনসংখ্যাগত সংকট’ তৈরি হচ্ছে এবং এটি নারীদের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।

মোদি বলেন, ‘তারা এতটাই বেপরোয়া হয়ে গেছে যে বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছে, যাত্রা করছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সব অনুপ্রবেশকারীকে সরানো হবে।’

অন্যদিকে, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব মোদির এই বক্তব্যকে নির্বাচনী প্রচারের চাল বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘এক মুহূর্তের জন্য ধরে নিলাম বিহারে অনুপ্রবেশকারী আছে। কিন্তু এত বছর কী করা হয়েছে? আপনি কেন্দ্রে ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন, আর বিহারে আপনার জোট ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি