1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

মেয়ে হওয়ায় মিষ্টির প্যাকেটে মাটি-ইট দিলেন জামাই!

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় শ্বশুরবাড়িতে মিষ্টির পরিবর্তে উপহারের প্যাকেটে মাটি ও ইটের গুঁড়া দিয়ে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে জামাই মোকছেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি রোববার (১৫ জুন) এলাকায় জানাজানি হলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রৌমারীর বড় ধনতোলা এলাকার সাহেব আলী ওরফে সব্দুল হকের ছেলে মোকছেদুল ইসলামের সঙ্গে একই ইউনিয়নের কাজাইকাটা গ্রামের আফতার আলীর মেয়ে আছমা খাতুনের বিয়ে হয়। এক বছর সংসার করার পর আছমা কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

সন্তান জন্মের খবর পেয়ে গত বুধবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মোকছেদুল শ্বশুরবাড়িতে যান। তিনি শাশুড়ির হাতে একটি মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন। পরে সেটি খুলে দেখা যায়, প্যাকেটে মিষ্টির বদলে রয়েছে মাটি ও ইটের গুঁড়ো।

আছমা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই আমার স্বামী আমাকে নির্যাতন করতেন, মাঝে মাঝে টাকার জন্য চাপ দিতেন। গর্ভে সন্তান আসার পর থেকে নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। তিনি বলতেন, ছেলে হলে সুখ পাবে, মেয়ে হলে দুঃখ। এখন মেয়ে হয়েছে, তাই এমন অপমান।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মোকছেদুল ইসলাম বলেন, আমি এক কেজি মিষ্টি আর মেয়ের কিছু কাপড় নিয়ে গিয়েছিলাম। এখন তারা বলছে প্যাকেটে মাটি-ইট ছিল! এগুলো সাজানো নাটক। আমি স্ত্রীকে নির্যাতন করিনি, বরং আমার সুখের সংসার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাঈদ বলেন, ঘটনাটি আমি সরাসরি জানি না। তবে স্থানীয়দের মুখে শুনেছি, বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।

স্থানীয়দের অনেকে ঘটনাটিকে নারীর প্রতি অবজ্ঞা ও সহিংসতার একটি নজিরবিহীন উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি