1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’ মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক শেরপুরে শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দেয় ফেল করা শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জে মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান ১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতদের ছবি, রক্তাক্ত স্কুলব্যাগ নিয়ে পাকিস্তানে ইরানি প্রতিনিধিদল

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ইসলামাবাদগামী ফ্লাইটের সামনের সারিতে ‘মিনাব স্কুলে হামলা’য় নিহত ছাত্রীদের ছবি ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন ইরানি প্রতিনিধিদল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আসা স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফের নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানের ভেতরের ছবিতে দেখা গেছে, আসনগুলোতে আছে মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতদের ছবি, রক্তে ভেজা স্কুলব্যাগ, জুতো ও সাদা ফুল।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি ছবি শেয়ার করে গালিবফ লিখেছেন, ‘এই ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা #মিনাব১৬৮’।

প্রকাশিত ছবি দেখা গেছে গালিবফ বিমানের আসনে রাখা মিনাব স্কুলের শিক্ষার্থীদের ছবির দিকে তাকিয়ে আছেন।

যুদ্ধ অবসানের আশায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ও সমঝোতার জন্য ইসলামাবাদ অভিমুখে রওনা হওয়া প্রতিনিধিদলটির নামকরণ করা হয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’। যুদ্ধের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত স্কুলছাত্রদের স্মরণে এই নামকরণ করা হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইরানি দূতাবাস ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, মিনাব শিক্ষার্থীদের আমরা কখনো ভুলব না।

উল্লেখ্য, যুদ্ধের প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানে দক্ষিণাঞ্চলের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহজারেহ তাইয়্যেবেহ নামের বিদ্যালয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

হামলার কয়েকদিন পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাঘচি আকাশ থেকে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, যেখানে ‘নির্দোষ’ মেয়েদের পুঁতে ফেলার জন্য গণকবর খোঁড়া হচ্ছে। একই পোস্টে আরাঘচি ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেন এবং এটিকে ‘ঠাণ্ডা মাথার’ হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি