1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতদের ছবি, রক্তাক্ত স্কুলব্যাগ নিয়ে পাকিস্তানে ইরানি প্রতিনিধিদল

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ইসলামাবাদগামী ফ্লাইটের সামনের সারিতে ‘মিনাব স্কুলে হামলা’য় নিহত ছাত্রীদের ছবি ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন ইরানি প্রতিনিধিদল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আসা স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফের নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানের ভেতরের ছবিতে দেখা গেছে, আসনগুলোতে আছে মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতদের ছবি, রক্তে ভেজা স্কুলব্যাগ, জুতো ও সাদা ফুল।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি ছবি শেয়ার করে গালিবফ লিখেছেন, ‘এই ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা #মিনাব১৬৮’।

প্রকাশিত ছবি দেখা গেছে গালিবফ বিমানের আসনে রাখা মিনাব স্কুলের শিক্ষার্থীদের ছবির দিকে তাকিয়ে আছেন।

যুদ্ধ অবসানের আশায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ও সমঝোতার জন্য ইসলামাবাদ অভিমুখে রওনা হওয়া প্রতিনিধিদলটির নামকরণ করা হয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’। যুদ্ধের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত স্কুলছাত্রদের স্মরণে এই নামকরণ করা হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইরানি দূতাবাস ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, মিনাব শিক্ষার্থীদের আমরা কখনো ভুলব না।

উল্লেখ্য, যুদ্ধের প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানে দক্ষিণাঞ্চলের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহজারেহ তাইয়্যেবেহ নামের বিদ্যালয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

হামলার কয়েকদিন পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাঘচি আকাশ থেকে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, যেখানে ‘নির্দোষ’ মেয়েদের পুঁতে ফেলার জন্য গণকবর খোঁড়া হচ্ছে। একই পোস্টে আরাঘচি ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেন এবং এটিকে ‘ঠাণ্ডা মাথার’ হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি