1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র : কার জোর কতটুকু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

ভারতের গুজরাট, রাজস্থান, পাঞ্জাব এমনকি রাজধানী নয়াদিল্লি পর্যন্ত পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের বড় শহর করাচি লাহোর মুলতান সবই আছে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যে। ভারত পাকিস্তানের বর্তমান উত্তেজনা যদি কোনোভাবে পুরোদমে যুদ্ধে রূপ নেয় আর দু’দেশ তাদের ভান্ডারে থাকা হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করতে থাকে তাহলে ঐতিহাসিক এসব শহরের পরিণতি কী হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

ভারত ও পাকিস্তানের অস্ত্রভান্ডারে এই মুহূর্তে কী কী ক্ষেপণাস্ত্র আছে এবং এসব অস্ত্রের শক্তি কতটুকু, এ নিয়ে চলছে আলোচনা। পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ক্ৰুজ, ট্যাকটিক্যাল ও স্বল্প-মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ট্যাকটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্র যেমন হাতাফ-১ ও নাসের ৬০-১০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে আবদালি যার পাল্লা ২০০ কিলোমিটার, গজনবি (৩০০ কিলোমিটার), রা’দ (৩৫০ কিলোমিটার), বাবর (৭০০ কিলোমিটার) ও শাহীন-১ ৭৫০ থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরবর্তী স্থানে আঘাত হানতে পারে।

মধ্যমপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে গৌরি-১ যার পাল্লা এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত, গৌরি-২ এর পাল্লা আরও বেশি-দুই হাজার কিলোমিটার, আবাবিল (দুই হাজার ২০০ কিলোমিটার), শাহীন-২ ও শাহীন-৩ (দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৭৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। এর মধ্যে আবাবিল ও শাহীন-৩ একসঙ্গে কয়েকটি ওয়ারহেড বা বিস্ফোরক বহন করতে পারে এবং অনায়াসে শত্রুর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় ভারত এই মুহূর্তে অনেকটাই এগিয়ে আছে। নিজেদের প্রযুক্তির পাশাপাশি যৌথভাবেও ভারত তৈরি করছে স্বল্প, মধ্যম ও দূরপাল্লার বেশকিছু ক্ষেপণাস্ত্র।

এর মধ্যে ভারতের রয়েছে পৃথ্বী সিরিজ। যার রেঞ্জ ২৫০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার, অগ্নি সিরিজ এক হাজার ২০০ থেকে আট হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। এ ছাড়া ভারতের ভান্ডারে আছে নির্ভয়া ও ব্রহ্মোস ক্ৰুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর মধ্যে অগ্নি-৫ একটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যা সাত থেকে আট হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিতে সক্ষম। পাকিস্তান তো বটেই আরও দূরবর্তী যে কোনো শহর পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে এটি।

ভারতের ধনুষ হলো নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতের সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য কে-১৫ বা বি-০৫ সাগরিকা ও শৌর্য ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ প্রায় ৭০০ কিলোমিটার।

ভারতের সুপারসনিক ক্ৰুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মোস পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। ২০২৪ সালে ভারত সফলভাবে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়, যার পাল্লা দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি এবং এটি আকাশ, স্থল ও জলপথ সব জায়গা থেকে আঘাত হানতে সক্ষম।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত শব্দের গতির পাঁচগুণ দ্রুত চলে। আর সুপারসনিক গতি সাধারণত শব্দের গতির চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়। কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থামাতে সক্ষম নয়।

এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ভারত-পাকিস্তান যদি কোনোভাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পরে তা দুটি দেশের জন্য তো অবশ্যই তেমনি দক্ষিণ এশিয়াতে এক ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি