1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী

ফুলপুরে হিন্দু পল্লীতে আগুনে পুড়ল তিন ঘর, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

ময়মনসিংহের ফুলপুরে সাহাপাড়া হিন্দু পল্লীতে আগুনে পুড়েছে তিনটি বসতঘর। রবিবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন ফুলপুর ফায়ার সার্ভিস অফিস।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি এ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি হয়েছে ২০ লাখ টাকার ওপরে।

খবর পেয়ে ফুলপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসের লোকজন ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অসহায়ের মতো চিৎকার করতে থাকে খোলা আকাশের নিচে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহাপাড়ার প্রদীপ ও সজীব দুই ভাই এলিট কম্পানির স্থানীয় ডিলার। বিভিন্ন কসমেটিক, চানাচুর, বাদাম, আচারসহ হরেক রকমের পণ্য রয়েছে এ কম্পানির। সাহাপাড়া তার বসতঘরের একটি রুমে এসব পণ্য রাখতেন। এ বসতঘরে হঠাৎ আগুন দেখে পরিবারের লোকজন নেভানোর চেষ্টা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করলে প্রচণ্ড ধোঁয়া আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

এক পর্যায়ে ফুলপুর ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও চায়ের দোকানদার অঞ্জন, প্রদীপ, সজীব, ঝর্ণা রানীর ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ব্যবসায়ী প্রদীপ, সজীবের ঘরে থাকা এলিট কম্পানির প্রায় ১০ লাখ টাকার পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা নগদ টাকা, সোনার গহনা, আসবাবপত্রসহ সব শেষ হয়ে যায় আগুনে।

ভুক্তভোগী ঝর্না বলেন, আমি হতদরিদ্র মানুষ। ছেলে অঞ্জনের চায়ের দোকানের আয় দিয়ে চলে আমাদের সংসার। আগুন সব শেষ করে দিল আমার জমানো জিনিসপত্র নগদ টাকা। এ সময় অঝোরে পড়ছে তার চোখের জল। ব্যবসায়ী প্রদীপ ও সজীব দুই ভাই বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি রাতের বেলায় আগুন নেভাতে অনেক সময় লেগে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলেন, ফায়ার সার্ভিসের অফিস হাতের কাছে থাকলেও আসতে দেরী হওয়ায় এ দরিদ্র পরিবারগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তাদের দাবি ফায়ার সার্ভিস দ্রুত সময়ে আসতে পারলে এমন ভয়াবহতা ও ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক চলে আসেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শীতেষ চন্দ্র সরকার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল, ফুলপুর পৌরসভার মেয়র শশধর সেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামু, ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রকৌশলী মনিরুজ্জমানসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের লোকজন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) শীতেষ চন্দ্র সরকার জানান, সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করার জন্য চেষ্টা করা হবে। অসহায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি