1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

পুলিশের সঙ্গে তর্ক, জেদ করে প্রিজনভ্যানে দাঁড়িয়ে রইলেন ইনু

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিজনভ্যানে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এর জেরে তিনি জেদ করে লোহার রড ধরে প্রিজনভ্যানে দাঁড়িয়ে থাকেন।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনের রাস্তায় প্রিজনভ্যানে এ ঘটনা ঘটে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তার স্ত্রী আফরোজা হকের নামে মামলা করে। আজ দুদকের ওই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। এ জন্য ইনুকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪ কোটি ৮৪ লাখ ২৫ হাজার ৫০৭ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখেন হাসানুল হক ইনু। এ বছরের ১৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী মুন্সা জেবিন তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

পুলিশ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ইনুকে সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

দুপুর ১২টার দিকে কারাগারের উদ্দেশে নেওয়ার জন্য হাজতখানা থেকে হাসানুল হক ইনুকে বের করা হয়। এ সময় পুলিশ তাকে তাড়াহুড়ো করে বের করতে চায়। তখন তিনি দাঁড়িয়ে যান।

পুলিশকে বলেন, ‘ধাক্কান কেন?’ তখন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘ধাক্কাচ্ছি না।’ পরে তাকে প্রিজনভ্যানের দিকে নেওয়া হয়। এ সময় তার দুহাত পেছনে নিয়ে হাতকড়া পরানো ছিল।

প্রিজনভ্যানে নেওয়ার পর হাতকড়া খুলে দেওয়া হয়। এ সময় হাসানুল হক ইনু প্রিজনভ্যানের ভেতরে রাখা লোহার বেঞ্চের ওপর দাঁড়ান। প্রিজনভ্যানের লোহার ফাঁক দিয়ে আত্মীয়স্বজন ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। তখন প্রিজনভ্যানের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ ইনুকে দাঁড়িয়ে না থেকে বেঞ্চে বসার অনুরোধ করেন। ইনুর উদ্দেশে এক পুলিশ সদস্য বলেন, ‘স্যার, আপনি দাঁড়িয়ে থেকে কথা বলতে পারবেন না।’

পুলিশ সদস্যের এ কথা শুনে ইনু বলতে থাকেন, ‘আমি দাঁড়িয়ে থাকব। আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না, কথা বলতে পারব না— এটা আইনে নেই। আপনারা আপনাদের কাজ করেন।’

তখন ওই পুলিশ সদস্য ইনুর উদ্দেশে বলেন, ‘স্যার, আপনার নিরাপত্তার জন্য বলছি, আপনি দাঁড়িয়ে থাকবেন না।’

এ সময় ইনু বলেন, ‘আমি আমার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে পারব না? আমি সারা রাস্তা দাঁড়িয়ে থাকব। আপনি বলেন, কোন আইনে আছে, আমি কথা বলতে পারব না, দাঁড়াতে পারব না? আমাকে আইন দেখান। দাঁড়ানো কি নিষেধ?’

ইনুর মুখ থেকে এ কথা শোনার পর ওই পুলিশ সদস্য বলতে থাকেন, ‘অথরিটির (কর্তৃপক্ষের) নিষেধ আছে।’

পরে পুলিশ সদস্য চলে যান। এ সময় প্রিজনভ্যানে লোহার রড ধরে ইনুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় গাড়ি চলন্ত অবস্থায় ছিল।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি