1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ : ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে

নেপালে নতুন সরকার শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গত বছরের প্রাণঘাতী জেনজি বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ শপথ নেওয়ার পরদিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

শনিবার (২৮ মার্চ) কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপাল পুলিশ ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকার বাসা থেকে তাকে আটক করে। ওলির সঙ্গে তার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী বলেন, শনিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। ওলিকে গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ পরই নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং বলেন, প্রতিশ্রুতি মানেই প্রতিশ্রুতি এবং আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে আটক করেছি। এটি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়; এটি ন্যায়বিচারের শুরু মাত্র। আমি বিশ্বাস করি, এখন দেশ একটি নতুন পথে এগোবে। তবে ওলি দাবি করেছেন, তাকে প্রতিহিংসামূলকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।

গত বছরের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী যুব আন্দোলনে ৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। এর মধ্যে কমপক্ষে ১৯ জন তরুণ। এই বিক্ষোভ শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বল্প সময়ের এক নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এর পেছনে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অসন্তোষ কাজ করছিল। পরের দিন এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সংসদ ও সরকারি ভবনগুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ফলে কেপি শর্মা ওলির সরকারের পতন ঘটে।

এরপর নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কি স্বল্প সময়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেন। অবসর ভেঙে দায়িত্ব নেওয়া তার এই সময়কালকে নেপালের নাজুক গণতন্ত্রে স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে দেখা হয়। পরবর্তীতে র‌্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহ নির্বাচনে জয়লাভ করার পর বিক্ষোভের সহিংসতা তদন্তে একটি প্যানেল গঠন করা হয়। শুক্রবার বালেন্দ্র শাহের সভাপতিত্বে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চপদে থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভ চলাকালে অবহেলার কারণে ওলি ও লেখকসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে গুলি বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণে আনার কোনো চেষ্টা করা হয়নি এবং দায়িত্বহীন আচরণের কারণে অপ্রাপ্তবয়স্করাও প্রাণ হারিয়েছে।

তদন্ত কমিশন আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে নেপাল পুলিশের তৎকালীন মহাপরিদর্শক চন্দ্র কুবের খাপুংও রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি