1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, যুবক আটক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা লাগানোর অভিযোগে রায়হান কবির ইমন নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এর আগে, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও রায়হান কবির ইমনকে হাসপাতালে অবরুদ্ধ করে রাখেন অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, রোববার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ৯০৭ নম্বর ওয়াশরুমে এক নারী চিকিৎসক স্পাই কলম ক্যামেরা দেখতে পান। তিনি ওই ক্যামেরাটি নিয়ে বের হলে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমন ওই ক্যামেরাটি নিতে ধস্তাধস্তি করে। ওই নারী চিকিৎসককে একটি কক্ষে আটকে রাখার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে কলম ক্যামেরাটি ভেঙে ফেলে। ইমনের বিরুদ্ধে বিগত ৫ বছর যাবত অন্যান্য ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকদের সঙ্গে অশালীন স্পর্শ করার অভিযোগ রয়েছে। রোববার রাতেই ওই নারী চিকিৎসক যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন।

সোমবার সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতালের পরিচালক।

সোমবার দুপুরে হাসপাতালের কক্ষে বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হলে ইমনসহ পরিচালককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন অন্যান্য চিকিৎসকরা। পুলিশের কাছে সোপর্দের আগে ইমনকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, এ ঘটনায় তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইমনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, অভিযুক্ত ইমনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি