1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

নাইকো মামলায় রায় : ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পাবে বাংলাদেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান কম্পানি নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। ওই অর্থ বাংলাদেশকে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান ইকসিডের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সম্ভবত ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশকে দিতে বলা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার একটি সূত্র জানিয়েছে, ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নষ্টের দায় বাবদ ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধনের জন্য ২ মিলিয়ন ডলার মিলে প্রায় ৪২ মিলিয়ন ডলার (৫১৬ কোটি টাকা, ১ ডলার ১২৩ টাকা ধরে) ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। এর সঙ্গে এখন পরিবেশগত ক্ষতি ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদন ছিল।

নাইকো কর্তৃক অনুসন্ধান কূপ খনন কালে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন দুই দফা মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে। বিষয়টি বাংলাদেশে আদালত ধরে ইকসিডে গড়ালে ২০২০ সালে নাইকোকে দায়ী করা হয়। সেই প্রেক্ষিতে গত মাসে ওই আদেশ দিয়েছে ইকসিড। ওই গ্যাস ফিল্ডে বিস্ফোরণের কারণে মজুদ গ্যাস পুড়ে যায়।

আশপাশের সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ জন্য নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলে অস্বীকৃতি জানায় নাইকো। এ কারণে ২০০৭ সালে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের এবং নাইকোর ফেনী ফিল্ডের গ্যাসের বিল প্রদান বন্ধ করে দেয় পেট্রোবাংলা।

হাইকোর্ট বাংলাদেশে থাকা নাইকোর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের আদেশ দেয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টে যায় নাইকো, সেখানেও বাংলাদেশের পক্ষে রায় হয়।

আটকে রাখা গ্যাস বিল এবং ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার জন্য ২০১০ সালে ইকসিডে দুটি মামলা করে নাইকো। ২০১৪ সালে এক রায়ে ইকসিড পেট্রোবাংলাকে ফেনী গ্যাসক্ষেত্রের পাওনা পরিশোধ করতে বলে।

ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ফিল্ডটির অবশিষ্ট মজুদ গ্যাস উত্তোলন বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরি। ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটিতে পরের বছর কূপ খনন করে ১০৯০ মিটার থেকে ১৯৭৫ মিটারের মধ্যে ৯টি গ্যাস স্তর আবিষ্কার করা হয়। গ্যাস উত্তোলন করে ছাতক সিমেন্ট ও পেপার মিলে সরবরাহ করা হতো। ২৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করার পর পানি আসতে শুরু করায় কূপটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটি কানাডিয়ান কম্পানির নাইকোর হাতে তুলে দেওয়া হয়। নাইকো কর্তৃক অনুসন্ধান কূপ খননকালে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি