রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার পর চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বাসের ধাক্কায় তিন অটোরিকশা যাত্রী নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত চালককে অর্থের বিনিময়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লাপুকুর এলাকায় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাসচালককে আটক করতে গেলে অভিযোগ ওঠে, বেলপুকুর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম কৌশলে তাকে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এসআই জহিরুল ইসলাম কান ধরে দাঁড়িয়ে আছেন এবং চারপাশে উত্তেজিত জনতা তাকে তিরস্কার করছে। ভিডিওর নেপথ্যে একজনকে বলতে শোনা যায়, দেখেন, এটা বেলপুকুর থানার পুলিশ। ঘুষ খেয়ে ড্রাইভারকে ছেড়ে দেওয়ার শাস্তি এটা। জনগণের কাছে আজ ধরা খেয়েছে।
যদি দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করে তবে এই পরিণতিই হবে। ভিডিওতে উপস্থিত সাধারণ মানুষকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন। এরপর মহাসড়কটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।